আইন ও আদালত ২৬ আগস্ট, ২০১৯ ০৮:৩১

অশ্লীল ভিডিওতে ভাইরাল হওয়া কে সেই অফিস সহায়ক?  

ডেস্ক রিপোর্ট ।। 

জেলা প্রশাসক আহমেদ কবিরের সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও ভাইরালের সেই নারী অফিস সহায়ক  হলেন সানজিদা ইয়াসমিন সাধনা। পিয়ন হলেও ডিসি অফিসে তার প্রভাব ছিল একচ্ছত্র। তার প্রভাবের মুখে সব সময় কর্মকর্তা কর্মচারীরা থাকতো তটস্থ। শুধু কর্মচারীরাই নয় উর্ধতন কর্মকর্তাদেরও কেয়ার করতেন তিনি। চাকরি হারানোর ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস পেত না কেউ।

তবে এবার জেলা প্রশাসক আহমেদ কবিরের সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও ভাইরালের পর ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মুখ খুলতে শুরু করেছেন।

আরো পড়ুন: সেই ডিসি আহমেদ কবীরের আরেক ভিডিও ফাঁস (ভিডিওসহ)

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কজন কর্মকর্তা কর্মচারী বলেন, সাধনা ২০১৮ সালে উন্নয়ন মেলায় হস্তশিল্পের স্টল বরাদ্ধ নেয়ার জন্য জেলা প্রশাসক আহমেদ কবিরের সাথে দেখা করেন। তার রূপে মুগ্ধ হয়ে বিনামূল্যে স্টল বরাদ্দ দেন জেলা প্রশাসক। উন্নয়ন মেলা চলাকালীন তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তীতে যা শারীরিক সর্ম্পকে রূপ নেয়। এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তাদের। ইতোমধ্যে আহমেদ কবিরকে ওএসডিও করা হয়েছে।

আরো পড়ুন: জামালপুরের সেই ডিসির ২৫ মিনিটের সম্পূর্ণ ভিডিও ফাঁস!

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ডিসি অফিসে ২৭ জনকে অফিস সহায়ক পদসহ ৫৫ জনকে নিয়োগ করা হয়। সেই সর্ম্পকের সূত্র ধরে সানজিদা ইয়াসমিন সাধনা নিজে ও তার দুই আত্মীয় রজব আলী ও সাবান আলীকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পাইয়ে দেন।

সাধনা অফিস সহায়ক পদে যোগদান করার পর জেলা প্রশাসকের অফিস রুমের পাশে খাস কামরাটিতে মিনি বেড রুমে রূপান্তর করতে খাট ও অন্যান্য আসবাবপত্রসহ সাজ্জসজ্জা করেন। সেই রুমেই চলতো তাদের রঙ্গলীলা।

আরো পড়ুন: নীল দুনিয়ায় এখন জামালপুরের ডিসি (ভিডিওসহ)

অফিস চলাকালীন সময়ে তাদের রঙ্গলীলা অবাধ করতে সেই কামরার দরজায় বসানো হয়েছিল লাল ও সবুজ বাতি। রঙ্গলীলা চলাকালে লালবাতি জ্বলে উঠতো। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতো বিশ্বস্ত পিয়ন। এই সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবার জন্য প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এ সময় তার অফিসের বাইরে ফাইলপত্র নিয়ে অপেক্ষায় থাকতো কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অনেকেই। লীলা শেষে পরিপাটি হয়ে যখন চেয়ারে বসতো তখন জ্বলে উঠতো সবুজ বাতি। সবুজ বাতি জ্বলে উঠার পরেই শুরু হতো দাপ্তরিক কার্যক্রম।