কৃষি ২০ নভেম্বর, ২০২০ ০৫:১৪

শিম চাষে ভাগ্য বদলের পথে কমল

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সিনাই ইউনিয়নের পাল পাড়া গ্রামে ১৮ শতক জমিতে শিম চাষ করেন নীল কমল। সেই শিমেই এখন নতুন স্বপ্ন বুনছেন চাষি কমল।

কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি উপজেলার ৪ হাজার ২শ হেক্টর জমিতে শাক সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যার মধ্যে ১শ ৭০ হেক্টর জমিতে এখন পর্যন্ত চাষ করা হয়েছে শিম।

শিম চাষি নীল কমল জানায়, প্রথমে এই জমিতে পটল চাষ করি কিন্তু তা বন্যায় টা নষ্ট হয়ে যায়। পটল খেতের সেই মাচাতেই ১৮ শতক জমিতে বারী-১ জাতের শিম চাষ করেছি। পূর্বের মাচা থাকায় খরচ কম হয়েছে। শিম চাষে আমার ব্যয় হয়েছে মাত্র ৬ হাজার টাকা। শিম চাষে খরচ কম। পোকার আক্রমণ থেকে গাছকে রক্ষার জন্য স্প্রে করতেছি।

তিনি আরও বলেন, এবার ফলন খুবই ভালো হবে। বাজার দর ভালো পেলে ১ লাখ টাকার শিম বিক্রি করার আশা করছি। আমার ভাতিজা রঞ্জিত চন্দ্র পাল ৮ হাজার টাকা ব্যয়ে ১৪ শতক জমিতে শিম চাষ করেছে। আশা রাখি আমার মতো সেও লাভবান হবেন।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে শিম চাষ শুরু হয়। শিমের প্রতিটি মাচায় ৭৫-১০০ গ্রাম টিএসপি, পটাশ, জিপস সার ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। অন্যান্য সবজি চাষের থেকে শিম চাষে খরচ তুলনামূলক কম।

বেলে-দোআঁশ মাটিতে শিমের চাষ ভালো হয়। দুই জাত পোকার আক্রমণ হলে কীটনাশক দিয়ে শিম গাছ স্প্রে করতে হয়। অনুকুল আবহাওয়া বিদ্যমান থাকলে এবং সঠিক পরিচর্যা পেলে এবার কুড়িগ্রামে আশানুরূপ শিমের ফলন হবে। এবং কৃষকরা লাভবান হবেন।