আইন ও আদালত ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:২৭

বন্ধুকে আটকে রেখে যেভাবে গণধর্ষণ করা হয় পোশাক শ্রমিককে

ডেস্ক রিপোর্ট ।। 

সাভারে এক নারী পোশাক শ্রমিককে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে সাভার পৌর এলাকার নামাগেন্ডা মহল্লায় চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় আটক চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। এছাড়া ভুক্তভোগী ওই নারী শ্রমিককে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানার জাফরগঞ্জ গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে শাওন ওরফে মেম্বার (১৭), নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানাধীন কুতুবপুর গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে মো. সুমন (৩২), শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা থানাধীন বড়িরহাট গ্রামের সেলিম ফরাজির ছেলে ইলিয়াস ফরাজী (১৮) এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলা থানা এলাকার গবরচাপা মৃামের মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে মো. আরিফ (৩০)। এরা সবাই সাভার পৌর নামাগেন্ডা এলাকার অস্থায়ী বাসিন্দা।

থানা পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার ওই নারী শ্রমিক পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে পাশের উলাইল এলাকায় আল মুসলিম গার্মেন্টস এ অপারেটরের কাজ করতেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় কারখানা ছুটির পর এক বন্ধুর সঙ্গে নামা গেন্ডা মহল্লার নিজ ভাড়া বাসায় যাচ্ছিলেন তিনি। এসময় নামা গেন্ডা এলাকার শাওন, ইলিয়াস, আরিফ ও সুমন নামের চার বখাটে তাদের গতিরোধ করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে তারা আলামিনকে ভয়ভীতি ও মারধর করে আটকে রেখে ওই নারী শ্রমিককে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী শ্রমিক রাতেই সাভার মডেল থানায় ধর্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশ রাতভর গেন্ডা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শনিবার ভোরে চারজনকে আটক করে। পরে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দুপুরে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সাভার মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানোর পাশাপাশি ভুক্তভোগী নারী শ্রমিককে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।