???????? ২৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ০৭:৫৩

নাসিরদের ১৬৫ রানের টার্গেট দিল কুমিল্লা

স্পোর্টস ডেস্ক : মিরপুর শের ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নাসির। প্রথমে বোলিংয়ে নেমে দারুণ শুরুও করে দলটি। তবে শেষ পর্যন্ত একই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি।  প্রথম ১০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৬৪ রান তোলা কুমিল্লা শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১৬৪ রান।

ঢাকার বিপক্ষে এদিন ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে সংগ্রাম করতে থাকে কুমিল্লার দুই ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং লিটন দাস। তাসকিনের করা প্রথম ওভার থেকে কেবল ১ রান নিতে পারে দলটি।

দ্বিতীয় ওভারে লিটন ও রিজওয়ান দুইজনে নেন ২ রান। এরমধ্যে অবশ্য রিজওয়ান ক্যাচ মিসের বদৌলতে বেঁচে যান রিজওয়ান। তবে তৃতীয় ওভারে আর বাঁচতে পারেননি রিজওয়ান। আল আমিন নিজের প্রথম ওভারে দারুণ এক ইনসুইঙ্গিং ডেলিভারিতে বোল্ড করে ফেরান ২ রান করা রিজওয়ানকে। সেই ওভারটি মেডেন দিতে বাধ্য হয় কুমিল্লার ব্যাটসম্যানরা।

তাসকিনের করা পরের ওভার থেকেও খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি ইমরুল এবং লিটন। ব্যাটিং ইনিংসের প্রথম চার ওভার থেকে কুমিল্লার ব্যাটসম্যানরা নিতে পারে মোটে ৯ রান।

তবে দলের ব্যাটিং সংগ্রাম বদলায় লিটনের ব্যাটে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারের সময় আল আমিন দ্বিতীয়বারের মতো বোলিংয়ে আসলে সেই ওভার থেকে ১৫ রান তুলে নেন লিটন এবং ইমরুল। পরের ওভার থেকে আবারও ১১ রান তুলে নেয় লিটন-ইমরুল। এক পর্যায়ে ১০ বলে ২ রান থেকে লিটন ১৯ বলে করে ফেলেন ২০ রান।

টানা দুই ওভারে বোলাররা ২৬ রান হজম করলে বোলিংয়ে আসেন অধিনায়ক নাসির। আর বোলিংয়ে এসেই প্রথম বলেই লিটনকে মিড উইকেটের ক্যাচে পরিণত করান নাসির। ২০ রানেই ফেরেন লিটন। এরপরে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ইমরুল এবং জনসন ইনিংস গড়ার চেষ্টা চালান। কিন্তু দলীয় ৬৪ রানে আউট হয়ে যান ইমরুলও। আমির হামজার বলে বোল্ড হওয়ার আগে ২৮ রান করেন ইমরুল। প্রথম ১০ ওভার শেষে কুমিল্লা ৩ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে ৬৪ রান।

ইমরুলকে হারালেও একপ্রান্তে নিজের স্বাভাবিক খেলা খেলতে থাকেন জনসন চার্লস। দারুণ খেলতে থাকা চার্লস ফেরেন মোসাদ্দেক হোসেনের ভুল কলে রান আউট হয়ে। আউট হওয়ার আগে ৩২ রান করেন এই ক্যারিবিয়ান। চার্লস ফেরার পরও রানের গতি চলমান রাখেন খুশদিল শাহ। এই ব্যাটসম্যান একপ্রান্তে ২টি করে চার-ছয়ে ১৭ বলে ৩০ রান করে আউট হন। অন্যপ্রান্তে মোসাদ্দেক ব্যাট হাতে ছিলেন বিফল। ১১ বলে ৯ রান করে আউট হয়ে ফেরেন।

শেষদিকে আবু হায়দার এবং জাকের আলীর ক্যামিও কুমিল্লাকে ১৬৪ রানের সংগ্রহ এনে দেয়। জাকের ১০ বলে ২০ এবং আবু হায়দার ৮ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন। ঢাকার পক্ষে অধিনায়ক নাসির মাত্র ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন।