প্রবাসের কথা ৩০ নভেম্বর, ২০১৯ ০১:৩২

লন্ডন আতঙ্কিত 'নাইফ ক্রাইমে' 

ডেস্ক রিপোর্ট 

ছুরি দিয়ে সংঘটিত অপরাধ লন্ডনে 'নাইফ ক্রাইম' নামে পরিচিত। এ বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত নাইফ ক্রাইমের শিকার হয়ে লন্ডনে প্রাণ গেছে ৮৮ জনের। সবশেষ গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের সাউথহলে খুন হয় ষাট বছর বয়সী এক বৃদ্ধ। 

বিশেষ করে পূর্ব লন্ডন, দক্ষিণ লন্ডনে এর মাত্রা বেশি। বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসে গ্যাং ক্রাইমের রোষাণলে পরে প্রকাশ্যে ছুরি দিয়ে খুন হয় বেশ কয়েকজন। এসব ঘটনার পর আতঙ্ক বেড়েছে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে।

লন্ডনে পুলিশের সংখ্যা কমানোর ফলে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে অপরাধ, পাশাপাশি অপরাধীরা বয়সে অপেক্ষাকৃত তরুণ হওয়ায় কম সাজা পাচ্ছে – যা নাইফ ক্রাইম বাড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন জনপ্রতিনিধিরা।

লন্ডন নিউহ্যাম কাউন্সিলের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার নাজির আহমেদ বলেন, লন্ডনে পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত নানান সমস্যা বাড়ার ফলে তরুণরা এ ধরণের অপরাধের দিকে পা বাড়াচ্ছে বেশি।

নাইফ ক্রাইম রোধে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ। নিরাপদ লন্ডন গড়ার লক্ষ্যে প্রশাসনকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করছেন অনেকে।

সহিংস খুনের ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিপদজনক শহর হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরকেও ছাড়িয়ে গেছে লন্ডন। এ বছর ফেব্রুয়ারি এবং মার্চে ইতিহাসে প্রথমবারের মত লন্ডনে খুনের হার নিউ ইয়র্কের চেয়ে বেশি দেখা গেছে।বহুজাতিক সম্প্রদায়ের শহর লন্ডন। তবে, ছুরি দিয়ে সংঘটিত অপরাধের কারণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই শহরটি। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের তুলনায় এই বছর নাইফ ক্রাইম বেড়েছে ৮ শতাংশ। পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে থাকলেও ক্রমশই আতঙ্ক বাড়ছে লন্ডনবাসীর মাঝে।