বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি ১ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:১৪

১০০ কোটি ছাড়াল ফাইভজি গ্রাহক

ডেস্ক রিপোর্ট

গত বছরের শেষে এরিকসন মোবিলিটির ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ ফাইভজির আওতায় থাকছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের করা সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ১৫ শতাংশেরও বেশি ফাইভজি কাভারেজের আওতায় থাকবে এবং ফাইভজি সংযোগ হবে ২২ কোটি।

অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং থাইল্যান্ডে লাইভ নেটওয়ার্কসহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়াতে বাণিজ্যিকভাবে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে চালু হতে দেখা গেছে ফাইভজি। বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম এবং মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে পরের বছরে ফাইভজি নেটওয়ার্ক চালুর বিষয় বিবেচিত হচ্ছে ২০২১ সালে তরঙ্গ নিলাম পরিকল্পনা অনুযায়ী।

‘ফাইভজি বিভিন্ন বাজারে চালু হচ্ছে এবং বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে ফোরজি (এলটিই) নেটওয়ার্ক বিস্তারের গতি এখনো অব্যাহত রয়েছে। ২০২০ -এর শেষে বিশ্বের ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ ফোরজি কভারেজের আওতাভুক্ত হবে এবং ২০২৬ সালে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৯৫ শতাংশে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।’ বলেন এরিকসন বাংলাদেশের প্রধান আবদুস সালাম।

ফাইভজির সাফল্য কেবল নেটওয়ার্ক এবং সংযোগের পরিমাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং নতুন নতুন ব্যবহার যুক্ত হবে। আইওটি এবং ক্লাউড গেমিং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে বলছে এরিকসনের প্রতিবেদন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ওশেনিয়াতে ২০৩০ সালের মধ্যে ফাইভজি সক্রিয় গ্রাহক রাজস্ব খাতে ২৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার উপার্জন করতে পারবে সিএসপিরা। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ২২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে ফাইভজি ব্রডব্যান্ড সার্ভিস মার্কেট।