বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০১:১৮

৭৭ শতাংশ ভাইবার ব্যবহারকারীর প্রাধান্য প্রাইভেসি

টেক ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় অ্যাপ ভাইবার তাদের ভলান্টারি পোলের ফলাফল প্রকাশ করেছে। এ পোলে ৩ লাখ ৪০ হাজার জন ব্যবহারকারী অংশগ্রহণ করেন। এই পোলের ফলাফলে উঠে আসে বিশ্বের ৭৭ শতাংশ ভাইবার ব্যবহারকারী ডিজিটাল মাধ্যমে গোপনীয়তাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।

বৈশ্বিক মহামারি করোনায় শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসেবা পর্যন্ত জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে গতি ত্বরান্বিত হয়েছে। মানুষ পরিবারের সদস্য, বন্ধুবান্ধব এবং সহকর্মীদের সাথে যুক্ত থাকতে অ্যাপ এবং ডিজিটাল মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছে। রাকুতেন ভাইবারের করা সাম্প্রতিক এ পোলে উঠে আসে, এই রূপান্তরের মধ্যে তথ্যের গোপনীয়তা এখনও ব্যবহারকারীদের অগ্রাধিকারের শীর্ষে রয়েছে।

জরিপটিতে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা এবং এশিয়া প্যাসিফিকসহ অসংখ্য অঞ্চলের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ (৮৯ শতাংশ উত্তরদাতা) ডিজিটাল গোপনীয়তাকে প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন। ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং ডিফল্ট এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের মতো ফিচার ব্যবহারকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। পাঁচটি ভিন্ন বিষয়ের মধ্যে, কথোপকথনের গোপনীয়তা সুরক্ষিত রাখতে চান বলে জানিয়েছেন বিশ্বের ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা।

1

অন্যদিকে, ৮৪.৪৯ শতাংশ বাংলাদেশি ব্যবহারকারী বলেছেন, তাদের কথোপকথন গোপন থাকবে এমনটাই তারা চান। অ্যাপ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যের বাইরে প্রতিষ্ঠান ব্যবহারকারীদের কোন তথ্য শেয়ার অথবা সংগ্রহ করে না এ বিষয়ে নিশ্চিত করা ছিলো দ্বিতীয় সর্বাধিক ভোট পাওয়া ফিচার। বিশ্বের ১৫ শতাংশ ব্যবহারকারী এ ব্যাপারে তাদের মত প্রকাশ করেন। ভাইবারে প্রাইভেট কল এবং চ্যাট এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড। অনুমতি ছাড়া কেউ গ্রুপ চ্যাটে যুক্ত কিংবা ইনভাইটেড হতে পারে না।

এছাড়াও, ভাইবারে রয়েছে হিডেন চ্যাট ফিচার, যেখানে পিন ছাড়া প্রবেশ করা যায় না। এটি ব্যাবহারকারীদের গোপনীয়তার অধিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এছাড়া, বিশ্বের ৭৯ শতাংশ এবং বাংলাদেশের ৮১ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন যে, তারা যেকোন গোপনীয়তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে তাদের মেসেজিং অ্যাপ পরিবর্তন করবে। এই তথ্য ব্যবহারকারীদের কাছে গোপনীয়তার অগ্রাধিকারের বিষয়টিকেই তুলে ধরে।

রাকুতেন ভাইবারের প্রধান নির্বাহী (সিইও) জ্যামেল আগাওয়া বলেন, এই ফল বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে গোপনীয়তার গুরুত্বকে তুলে ধরে। এ থেকে বোঝা যায়, গোপনীয়তা কখনোই গুরুত্বের তালিকায় পেছনে থাকতে পারে না; বিশেষত, যখন বর্তমান সময়ে মুনাফার আশায় ব্যক্তিগত যোগাযোগ নিয়ে নজরদারি চলছে।