লাইফ স্টাইল ২৫ মার্চ, ২০২৩ ০৪:০৫

আজ বালিতে খালি পায়ে হাঁটার দিন

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ ডেস্কঃ কমবেশি সবাই বালিতে হাঁটেন। তবে আপনি কি জানেন আজ কিন্তু বালিতে খালি পায়ে হাঁটার দিন। জানলে অবাক হবেন, এর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উপকারিতাও আছে। খালি পায়ে বালিতে হাঁটার অনুভূতি সবাইকে প্রশান্তি দেয়। নদীর চড়ে কিংবা সমুদ্রসৈকতে গিয়ে খালি পায়ে কমবেশি সবাই বালিতে হাঁটেন। 

তথ্য অনুযায়ী,‘ওয়াক ইন দ্য স্যান্ড ডে’ পালিত হয় প্রতি বছর মার্চ ইকুইনক্সের পর শনিবার। এই বছর দিবসটি পালিত হচ্ছে ২৫ মার্চ। এটি উত্তর গোলার্ধে বসন্তের শুরুতে ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকালে ঘটে।

এ সময় সমুদ্রের পাড়ে বালিতে খালি পায়ে হাঁটার আনন্দই ভিন্ন। এক্ষেত্রে প্রশান্তিদায়ক ও শিথিল অনুভূতির সঞ্চার ঘটে, যা মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য উভয়ের জন্যই উপকারী।বালিতে খালি পায়ে হাঁটার স্বাস্থ্যকর কার্যকলাপ উদযাপনের জন্য ২০১২ সালে পট্টি জুয়েল দ্বারা ‘ওয়াক ইন দ্য স্যান্ড ডে’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিশ্বের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে হাঁটার অভিজ্ঞতা ও আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার জন্য তিনিই প্রথম এই ধারণা দেন।

জুয়েল একজন সৈকত আইনজীবী। যিনি বিশ্রাম নিতে ও মানসিক-শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সমুদ্রসৈকতে যান। তিনি সারা বিশ্বের সুন্দর সৈকতগুলোর সুরক্ষার জন্য মানুষের সহযোগিতার জন্য দিবসটি উদযাপন করে আসছেন।

তিনি পরিবেশ সুরক্ষা, সৈকত সংরক্ষণ ও এই দর্শনীয় প্রাকৃতিক সম্পদের সৌন্দর্য ভাগ করে নেওয়ার ক্ষেত্রেও একজন শক্তিশালী সমর্থক ও কর্মী। তিনি ওয়াকইনদ্যস্যান্ড.কম ও ফ্লোরিডাস্মার্ট.কম এর প্রতিষ্ঠাতা ও এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্লোরিডার সমুদ্রসৈকত সম্পর্কে বিষয়বস্তু প্রকাশ করেছেন।

বালিতে হাঁটা পায়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সাহায্য করে। কারণ এটি ওয়ার্কআউট হিসেবে কাজ করে। এটি আপনাকে ধীর গতিতে হাঁটতে ও ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে। কারণ বালিতে হাঁটার জন্য অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োজন হয়। নিয়মিত বালিতে হাঁটলে পায়ের পেশীগুলো আরও উন্নত হয়।

শক্ত পৃষ্ঠে হাঁটার তুলনায় বালিতে হাঁটলে পা ও জয়েন্টগুলিতে কম চাপ পড়ে। ফলে মেরুদণ্ডের আর্থ্রাইটিসের মতো অবক্ষয়কারী অবস্থার ঝুঁকি কমে। বালি মন ও শরীর ভালো রাখতে সহয়তা করে। তবে সেটি অবশ্যই ঠান্ডা এবং রাতের সমুদ্রের পাড়ের বালি হতে হবে। সূত্র: ন্যাশনাল টুডে

আমাদের কাগজ/এমটি