আন্তর্জাতিক ১৬ এপ্রিল, ২০২৩ ০৩:৩০

টিভি লাইভে সংসদ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ ডেস্কঃ সাংবাদিক সেজে ভিড়ের মধ্যেই অবস্থান করছিলেন দুর্বৃত্তরা। তখন রাত সাড়ে ১০টার মত। প্রিজন ভ্যান থেকে নামতেই হাসপাতালের সামনে আতিক ও তার ভাই আশরফকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। পুলিশি এনকাউন্টারে ছেলে আসাদের মৃত্যু ও তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যেতে না পারা নিয়েই নানা প্রশ্ন করছিলেন সাংবাদিকরা। এরই একপর্যায়ে হঠাৎ এক ব্যক্তি হাত উঁচিয়ে এসে আতিকের মাথায় বন্দুক ঠেকান এবং ট্রিগারে চাপ দেন। আতিক মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর এলোপাথাড়ি আরও কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হত্যা ও হামলার একটি মামলায় বৃহস্পতিবার গ্রেফতারের পর আতিক আহমেদকে শনিবার রাতে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেময় পুলিশ তার পাহারায় নিয়োজিত ছিল।

টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচারে থাকার সময় ভারতের সাবেক সংসদ (রাজ্যসভা) সদস্য আতিক আহমেদ ও তার ভাই আশরাফকে পুলিশের সামনেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (১৫ এপ্রিল) ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের প্রয়াগরাজ শহরে (এলাহাবাদ) চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটে।

পরে পাশে থাকা তার ভাই আশরাফকেও গুলি করে হত্যা করেন একই হামলাকারীরা। গুলি করে দু’জনকে হত্যার পরেই তিন হামলাকারী দ্রুত আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তী সময়ে তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই পুলিশের গুলিতে নিহত হয় আতিক আহমেদের ছেলে আসাদ। তাছাড়া সাবেক এ সংসদ সদস্য জানিয়ছিলেন, পুলিশি হেফাজতে থাকলেও তার জীবনের শঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, পুলিশের সামনেই খুব কাছ থেকে গুলি করে দুই অপরাধীকে খুনের ঘটনায় গোটা উত্তর প্রদেশে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে হামলাকারী তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শান্তি বজায় রাখতে উত্তর প্রদেশের সব জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

আমাদের কাগজ/এমটি