সারাদেশ ২৪ আগস্ট, ২০২৩ ১১:৪৮

স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কথা বলে ছাত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, অতঃপর...

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের দাবিতে এক সন্তানের জনকের বাড়িতে অবস্থান করছে ভুক্তভোগী এক ছাত্রী (১৬)। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেম অতঃপর শারীরিক ঘনিষ্ঠতার দাবি জানান তিনি। 

ঘটনাটি ঘটে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের কাঁচনা মধুপুর গ্রামে। আজ (বৃহস্পতিবার ) চাড়োল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দীলিপ কুমার চ্যাটার্জি বাবু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ওই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের কাঁচনা মধুপুর গ্রামের আব্দুর জব্বারের ছেলে আসাদুজ্জামান। তিনি বিবাহিত ও এক সন্তানের বাবা।

ভুক্তভোগী কিশোরী জানান, প্রায় দুই বছর আগে প্রতিবেশী আসাদুজ্জামানের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আসাদুজ্জামান বিবাহিত। স্ত্রীকে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় দুই বছর প্রেম করেছে। ইতোমধ্যে দুজনের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। কিন্তু প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে আসাদুজ্জামান আমাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। পরে মোবাইলে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গিয়ে বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অবস্থান নেই।

ভুক্তভোগী কিশোরীর মা অভিযোগ করে জানান, আমার মেয়ে ২০২৩ সালে এসএসসি পাস করেছে। আসাদুজ্জামান আমার ছোট মেয়েটাকে ফুঁসলিয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছে। কিন্তু এ ঘটনাটি এলাকায় প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চাইছে না। বাড়িতে কাউকে না বলেই মঙ্গলবার মেয়ে আসাদুজ্জামানের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নিয়েছে। আসাদুজ্জামানের বাড়ির লোকজন প্রভাবশালী হওয়ায় মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে না তুলে মারপিট করেছে।

অভিযুক্ত আসাদুজ্জামানের বাবা আব্দুল জব্বার জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে এক কিশোরী আমাদের বাড়িতে এসে আমার বিবাহিত ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জনক আসাদুজ্জামানকে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছে।

চেয়ারম্যান দীলিপ কুমার চ্যাটার্জি বাবু জানান, এ ঘটনায় উভয়পক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। বিষয়টি যতদ্রুত সম্ভব সামাজিকভাবে মীমাংসা করতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আনাম জানান, মঙ্গলবার রাতে খবরটি শুনেছি। ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার থেকে এ বিষয়ে অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমাদেরকাগজ/এমটি