অন্যান্য ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০২:০৪

সুন্দরবনের 

গোলপাতার ফল খাচ্ছে পর্যটকেরা

আমাদের কাগজ ডেস্ক : এত দিন সুন্দরবনের গোলপাতার ছাউনি বেশ বিখ্যাত ছিল। এতদিন এর ব্যাবহার বলতে ঘর ছাউনির কাজে ব্যবহৃত করলেও এবার ভিন্নতা দেখা দিচ্ছে। গোলপাতাগাছে তালের শাঁসের মতো একধরনের ফল হয়। স্থানীয় মানুষের কাছে তা গোলফল নামেই পরিচিত। 

সেখানকার মানুষ ও পর্যটকদের মাঝে গোলফল এখন অতিপরিচিত একটি নাম। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গের ম্যানগ্রোভ অঞ্চলের বিখ্যাত পামজাতীয় উদ্ভিদ হলো গোলপাতা। এ গাছকে ঘিরে সুন্দরবন অঞ্চলের জনবসতির ইতিহাস–ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। সুন্দরবনঘেঁষা এলাকা ছাড়াও বাগেরহাট জেলা সদর, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা, রামপাল ও চিতলমারী এলাকার নদীনালা ও খালবিলের পাশে জন্মে এ প্রজাতির গাছ। 

জানা গেছে, উপকূলবর্তী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রথমে শখের বশে হলেও পরবর্তী সময়ে এটিকে নিত্যদিনের ফল হিসেবেই আপন করে নেয়।

বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদের সামনে ভ্যানভর্তি গোলফল নিয়ে নিয়মিত পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে গোলফল। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এই ফলের সোৎসাহের যেন শেষ নেই। ক্রেতাদের ভিড় আর সবচেয়ে বেশি খাচ্ছে সেখানে ঘুরতে আসা পর্যটকরা। 

শক্ত অথবা নরম; তালের শাঁসের চেয়েও পুষ্টিকর ফল। এ ফলে শরীরের নানান ব্যথা, ডায়বেটিস, চর্মরোগে ওষুধের কাজ করে। এটি খাইলেই শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। প্রতিদিন শত শত পর্যটক এখানে এসে এ ফল খায়। 

ভ্যানে গোলফলসহ বসে আছেন আবদুর রহমান শেখ

প্রতি আঁটিতে ৫০ থেকে ১৫০টি পর্যন্ত ফল হয়। প্রতিটি ফল ১০ টাকা দামে বিক্রি করি। এতেই এখন সংসার চলে।’

আশপাশের এলাকার নদীর পাড়ে জন্মানো গোলপাতাগাছ থেকে ফলের কাঁদি কেটে এনে ষাটগম্বুজ মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় দুর্লভ এই ফলটি।  

আমাদেরকাগজ/এমটি