রাজনীতি ২ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০৪:৫৩

ওসি ও ইউএনওদের বদলি চান নির্বাচন কমিশন: ইসি

আমাদের কাগজ ডেস্ক: সামনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ঘিরে নতুনত্ব আনতে চাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ সকল প্রার্থীর নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসির বদলির সিদ্ধান্ত আসতে চলেছে।  

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেছেন, মাঠ পর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বদলির কারণে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে না। তিনি বলেন, যদি নির্বাচন কমিশন বসে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, সেক্ষেত্রে এটা হতে পারে। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আজ শনিবার ২ ডিসেম্বর দুপুরে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ সকল প্রার্থীর নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেছেন, আমাদের নিবন্ধিত যে ৪৪টি রাজনৈতিক দল আছে, তার মধ্যে ২৯টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। জেডি পিপলস নামে একটি দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, যেটি আমাদের নিবন্ধিত দল নয়। আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, তাতে দেখা গেছে ২ হাজার ৭১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। 

পাঁচটি আসনে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি এবং একটি স্থানে দুইবার জমার দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, আওয়ামী লীগ থেকে ৩০৪ জন মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন। 

এ সময় তিনি আরও জানান, ওসি ও ইউএনওদের বদলি নির্বাচন কমিশন চেয়েছে। আমাদের কমিশনাররা গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় এবং অঞ্চল পর্যায়ে সফর করেছেন, তাদের যে ফাইন্ডিংস, তার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন বসে গত ৩০ নভেম্বর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

কমিশন অনুভব করেছে, এ বদলি দরকার। সব তথ্য তো ওপেনলি বলা হয় না। নির্বাচন কমিশনাররা মাঠ পর্যায় থেকে যেসব তথ্য পেয়েছেন, বিভিন্ন প্রার্থী কিংবা বিভিন্ন কোয়াটার থেকে যে তথ্য এসেছে, তার ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত।

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ ছিল ৭০০ কোটি টাকা। পরে তা আরও বেড়েছিল। 

উল্লেখ্য, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ হবে। নির্বাচন পরিচালনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যয় হবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়।

আমাদেরকাগজ/এমটি