রাজনীতি ১০ মার্চ, ২০২৪ ০২:০৮

‘সরকারকে দেশের ৯৬ শতাংশ জনগণ না বলে দিয়েছে’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, সরকারের মন্ত্রীরা খেজুরের পরিবর্তে বরই খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে জনগণের সঙ্গে নির্মম তামাশায় লিপ্ত হয়েছেন। গণধিকৃত মন্ত্রীদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। দেশের ৯৬ শতাংশ জনগণ এই সরকারকে না বলে বলে দিয়েছে। তাই এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই।

রোববার (১০ মার্চ) সকালে সকালে রাজধানীতে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, অশ্লীলতা ও নগ্নতা বন্ধ এবং রমজানের পবিত্রতা রক্ষার দাবিতে রাজধানীতে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুর ১ নং গোল চত্বর থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে টেকনিক্যালে এসে সংক্ষিপ্ত পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। 

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা ও ডা. ফখরুদ্দীন মানিক, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য জিয়াউল হাসান, ইয়াছিন আরাফাত, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ ও মুহাম্মদ জামাল উদ্দীন প্রমুখ। 

ড. রেজাউল করিম বলেন, পবিত্র মাহে রমাদান এক মহিমান্বিত ও বরকতপূর্ণ মাস। কিন্তু এই সরকারকে জনগণ ভোট দেয়নি বলে তারা জনগণকে না খেয়ে মারার জন্য পরিকল্পিতভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঘটিয়েছে। 

জামায়াতের এই নেতা বলেন, সরকারের মন্ত্রী খেজুরের পরিবর্তে বরই দিয়ে ইফতারের কথা বলে জনগণের সঙ্গে নির্মম তামাশায় লিপ্ত হয়েছে। তাই এসব গণধিকৃত মন্ত্রীদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। তাদেরকে জনগণের তোপের মুখেই অপমানজনকভাবে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে। 

তিনি বলেন, জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামসহ দেশের বরেণ্য আলেমদের সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে কারা নির্যাতন চালানো হচ্ছে। 

অবিলম্বে জামায়াতের আমীরসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও কারাবন্দী সকল আলেমদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনের গাজায় ইতিহাসের নির্মম ও নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ চলছে। প্রতিদিনই মজলুম ফিলিস্তিনিদের রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে গাজার রাজপথ। অবিলম্বে গণহত্যা বন্ধে জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, আবরলীগ ও ওআইসিসহ বিশ্বসংস্থাগুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। 

গাজায় হত্যা বন্ধে বিশ্বের মুসলমানদের এক প্লাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।