রাজনীতি ৪ এপ্রিল, ২০২৪ ০২:০২

হাসপাতাল আছে, চিকিৎসকরাও ভাল- কোথায় যেনো সংকট রয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র আমদানী হয়ে প্যাকেটের মধ্যে পড়ে থাকে কিন্তু ব্যবহার হয় না, এই ইতিহাস আমাদের আছে। তারপর আমার জীবন মরণ পরিস্থিতে ল্যাব থেকে এনে শেষ মুহুর্তে কাজে লাগানো হয়েছে। আমাদের হাসপাতাল আছে, চিকিৎসকরাও ভাল তারপরেও কোথায় যেনো সংকট রয়েছে। এখানে স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন খুব চ্যালেঞ্জিং। এই দায়িত্বটা সম্মিলিত ভাবে সবাইকে নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের স্বাস্হ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেছেন, আমাদের পদ্মার ওপারে বড় আধুনিক হাসপাতাল করার প্রস্তাব আছে। প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেয়া হয়েছে। অনুমোদন হলে আপনাদের জানাবো। আমাদের বড় আধুনিক হাসপাতালের বড় প্রয়োজন। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এর দিকে ইঙ্গিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, যথার্থ ব্যক্তিকে মূল্যায়ন করা বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা এটা আমাদের দলের নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। আমার ধারণা তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দিবেন। আমি মনে করি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নিকট অতীতের ইতিহাস সুখকর নয়। 

তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র আমদানী হয়ে প্যাকেটের মধ্যে পড়ে থাকে কিন্তু ব্যবহার হয় না এই ইতিহাস আমাদের আছে। তারপর আমার জীবন মরণ পরিস্থিতে ল্যাব থেকে এনে শেষ মুহুর্তে কাজে লাগানো হয়েছে। আমাদের হাসপাতাল আছে, চিকিৎসকরাও ভাল তারপরেও কোথায় যেনো সংকট রয়েছে। এখানে স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন খুব চ্যালেঞ্জিং। এই দায়িত্বটা সম্মিলিত ভাবে সবাইকে নিতে হবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তার নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণা করে তিনি বলেন, আমি যখন অসুস্থ হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় তখন ডা. দেবী শেঠী আমাদের নেত্রীর অনুরোধে এসেছিলেন। তিজি এসে একটা সিদ্ধান্ত দিতে পেরেছিলেন। সিদ্ধান্তটা খুব জরুরি ছিলো। সে অনুযায়ী আমাকে সিংগাপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো।

সেতুমন্ত্রী বলেন, তিন/চার মিনিট বেশি চলে গেলে বেচে থাকার সম্ভাবনা ছিলো না। এই ডিসিশান নেয়াটা খুব চ্যালেঞ্জিং। আলী আহসান সাহেবকে যখন দায়িত্ব দেয়া হলো তখন তিনি দ্বিধায় ছিলেন বলে পরে শুনেছি। কারণ যদি কোন অগঠন ঘটে যায় তাহলে তাকে এন্টি আওয়ামী লীগ বানিয়ে ছাড়বে। কারণ তিনি সেভাবে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত না। এসব সমস্যা আমাদের দেশে আছে। তবে তখন অপারেশন করাটা যে সঠিক ডা. দেবী শেঠি স্বীকৃতি দিয়ে গেছেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের স্বাস্হ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান আ ফ ম রুহুল হক। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এবং দলটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ও উপ-কমিটির সদস্য সচিব ডা. রোকেয়া সুলতানা।