শিক্ষা ৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০৩:৩২

জাবি উপাচার্যের দুর্নীতির প্রমাণ সর্বত্র ছড়িয়ে আছে!

ডেস্ক রিপোর্ট ।।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করার জন্য যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত “দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর” মঞ্চের মুখপাত্র ও সমন্বয়ক।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে অসুস্থ ও আহত সাংবাদিক এবং নিহত পরিবারের সদস্যদের আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন- "উপাচার্যের বিরুদ্ধে যারা দুর্নীতির অভিযোগ আনবে, তাদের সে অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে, প্রমাণ করতে না পারলে মিথ্যা অভিযোগকারীকে শাস্তি পেতে হবে।"।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, আন্দোলনের প্রথম থেকে আমরা তদন্ত চেয়ে আসছিলাম। গত ১২ সেপ্টেম্বর আন্দোলনরতদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আলোচনায় উপাচার্য তদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নিলেন। কেননা তদন্ত করতে হলে তাকে সরে যেতে হতো। তদন্ত না করার সিদ্ধান্তে আমাদের সন্দেহ আরও জোরালো হয়। 

তিনি বলেন, “উপাচার্যের দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করতে প্রাথমিক প্রমাণ সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। বিশেষ করে টাকা ভাগ-বাটোয়ারায় যারা যুক্ত ছিলেন গণমাধ্যমে তাদের স্বীকারোক্তি। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক যেসব তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অর্থ কেলেঙ্কারির সংবাদ প্রকাশ করেছে সেগুলো প্রাথমিক তদন্তের জন্য যথেষ্ট বলে আমরা মনে করি।” 

তিনি মনে করেন, তথ্য-প্রমাণগুলো আমলে নিয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কার্যকরী তদন্ত হলে উপাচার্যের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হবে। এর মাধ্যমে অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম উপাচার্য পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন সেটি প্রমাণিত হবে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪৪৫ কোটি টাকার অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজের ই-টেন্ডার না করে সনাতন পদ্ধতির টেন্ডার, টেন্ডার শিডিউল ছিনতাই, ছিনতাইয়ের বিচার না করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উপাচার্যের দুর্নীতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অধ্যাপক রায়হান রাইন।