জাতীয় ৩১ মে, ২০২৩ ০৭:৪২

১৯৭২ থেকে ২০২২: আওয়ামী লীগ সরকারের যত বাজেট

আমাদের কাগজ রিপোর্ট: নির্বাচনী বছর বাজেটে নানা রকম জনপ্রত্যাশা থাকে। কিন্তু অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশ। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত পূরণের চাপ। সঙ্গে যোগ হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণ, আর্থিক খাতের সংস্কার, বাড়তি ৬৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়, বিদ্যুতে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান, ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে দেড় লক্ষাধিক টাকা ঋণ নেওয়ার বিষয় এবং একই সঙ্গে বিপুল অঙ্কের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন।

এসব নানামুখী চাপের মধ্যে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য সাত লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। কাল বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে আসন্ন ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করবেন তিনি।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৩০ জুন বঙ্গবন্ধু সরকারের ৭৮৬ কোটি টাকার প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে গণপরিষদে উপস্থাপন করা ওই বাজেট ছিল দেশের ইতিহাসে প্রথম বাজেট।

২০০৯ সালে মহাজোট ক্ষমতায় এলে ২০৯-১০ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো এক লাখ কোটি টাকা ছাড়ায় বাজেটের আকার। মাত্র ১৪ বছরের মাথায় এসে এবার সেই বাজেটের আকার ছাড়াচ্ছে ৭ লাখ কোটি টাকার গণ্ডি।

এর আগে নবম জাতীয় সংসদের শেষ বাজেট ২০১৩-১৪ অর্থবছরেই ২ লাখ ২২ হাজার কোটির টাকার বাজেট ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ সরকার।২০১৪ সালে টানা দ্বিতীয় দফায় আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জন্য আড়াই লাখ কোটি টাকার ওপরে বাজেট প্রস্তাব করা হয়।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে জন্য ২ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার বাজেটে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়ায় ছিটমহলবাসীর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। প্রবৃদ্ধি, উন্নয়ন ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার স্লোগানে ৩ লাখ কোটি টাকার মাইলফলক ছুঁয়ে ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার বাজেট দেওয়া হয় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে। বর্তমান ক্ষমতাসীন দলটির গত মেয়াদের শেষ অর্থবছর ২০১৮-১৯ ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট। বলা হয় সমৃদ্ধ আগামীর পথ যাত্রায় বাংলাদেশ।

টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেওয়া বাজেট ছাড়িয়ে যায় ৫ লাখ কোটি টাকার গণ্ডি।

 

আমাদের কাগজ/টিআর