জাতীয় ২৭ জুন, ২০২৩ ০৬:৫৩

মেয়র তাপস: অতিবৃষ্টি হলেও ঈদ জামাতের প্রস্তুতি আছে

আমাদের কাগজ রিপোর্ট: পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠানের প্রায় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। পাশাপাশি ঈদের দিনে অতিবৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখেও জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ জুন) দুপুরে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদ-উল-আজহার প্রধান জামাত আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র তাপস বলেন, “আসন্ন ঈদ-উল-আজহায় আমরা প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা করছি। সুতরাং তার পরিপ্রেক্ষিতে যেন কোনোরকম সমস্যা না হয়, সেজন্যই এ পরিদর্শন। মঙ্গলবার যেমন অল্প বৃষ্টি হয়েছে, সেরকম অল্প বৃষ্টিতে নামাজ অবশ্যই সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে তথ্য পেয়েছি যে, ঈদের দিন ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। অতিবৃষ্টি বা ঝড় হলেও যেন মুসল্লিরা সুষ্ঠুভাবে জামাত আদায় করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা আমরা করেছি। কোথাও যেন পানি না পড়ে এবং পানি পড়ার জায়গায় যেন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়, সেই ব্যবস্থাও আমরা নিয়েছি।”

মানবিক কারণে কোরবানির কার্যক্রম দুই দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে ঢাকাবাসীকে আহ্বান জানিয়ে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, “আমি সবার কাছে বিনীত অনুরোধ করব, যেন দুইদিনের মধ্যেই ঈদের দিন ও ঈদের পরের দিন কোরবানির কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। তৃতীয় দিনের জন্য যেন কোনো পশু রেখে দেওয়া না হয়।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা দেখেছি তৃতীয় দিনেও অনেকেই কোরবানি দিয়ে থাকেন। সেটি আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যায়। কারণ আমাদের সব কার্যক্রমে জড়িত কর্মীদের ৭২ ঘণ্টার পরে কিন্তু বিশ্রাম দিতে হবে। তারা একটানা ৭২ ঘণ্টা কার্যক্রম চালাবে। সুতরাং তাদের দিয়ে আবার কাজ করানো অমানবিক হয়ে যায়।”

শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, “কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি। ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাধ্যমে তদারকি এবং বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু করব। বর্জ্য অপসারণে সাড়ে তিনশর বেশি যান-যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হবে। আমাদের প্রায় ১০ হাজার জনবল মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত থাকবে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে তদারকি করব।”

 

 

আমাদের কাগজ/টিআর