নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে নয়াপল্টনে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রায়ট কার ও জলকামানের পাশাপাশি প্রিজন ভ্যানও রাখা হয়েছে। আশপাশে অবস্থান করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সমাবেশকে কেন্দ্র করে ফকিরাপুল থেকে নাইটেঙ্গেল মোড় পর্যন্ত নয়াপল্টন ভিআইপি সড়কে কয়েকশ ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ জুলাই) বিএনপিকে ২৩ শর্তে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, নয়াপল্টন এলাকা, ফকিরাপুল, নাইটিঙ্গেল মোড়, দৈনিক বাংলা, পুরানা পল্টন ও বিজয় নগর এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতিসহ পুলিশি উপস্থিতি রয়েছে।
বিএনপির নেতা-কর্মীরাও আছেন। খণ্ড খণ্ড দলে বিভক্ত হয়ে এ নেতা-কর্মীরা সরকার পতনের নানা স্লোগান দিচ্ছেন আবার স্থান পরিবর্তন করে অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছেন।
বিকেল চারটার পরে পুলিশকে বিএনপি কার্যালয় সংলগ্ন বিভিন্ন মোড় ও গলিতে ঢুকে ঢুকে দলটির নেতা-কর্মীদের সরিয়ে দিতে দেখা যায়। কার্যালয়ের সামনে পুলিশ গণমাধ্যমকর্মীদের পরিচয় নিশ্চিত করে অবস্থান করতে দিচ্ছে।
সাধারণ কাউকেই এ স্থানে দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না। নয়াপল্টন ভিআইপি সড়কের আশেপাশের সব ধরনের দোকান বন্ধ দেখা গেছে।
ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হায়াতুল ইসলাম খান বলেন, এটি একটি ব্যস্ততম সড়ক। এখানে যেন পার্টি অফিসের সামনে নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়ে সড়ক চলাচল বন্ধ না করে দেন, সেটিই আমরা নিশ্চিত করতে চাইছি।
তিনি বলেন, জনদুর্ভোগ এড়াতে আমাদের এই অবস্থান। তাদের সমাবেশ যখন হবে, তখন বিষয়টি দেখা যাবে। এখন তাদের এখানে অবস্থান নিতে দেওয়া হবে না।
আমাদেরকাগজ/এইচএম




















