জাতীয় ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১০:১৬

অনুমতি ছাড়া এডিসি সানজিদা বক্তব্য দিতে পারেন না : ডিএমপি কমিশনার

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ ডেস্ক : এবার থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের ২ নেতা পেটানোর ঘটনায় মুখ খুললেন ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক। তার ভাষ্যমতে, অনুমতি ছাড়া ডিএমপির ক্রাইম বিভাগে অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) সানজিদা আফরিন (ভুক্তভোগী) এভাবে বক্তব্য দেওয়া ঠিক হয়নি বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক।

গতকাল (মঙ্গলবার ) রাতে ডিএমপি কমিশনার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

এর আগে আজ এডিসি হারুন অর রশিদের (সাময়িক বরখাস্ত) ছাত্রলীগের দুই নেতাকে মারধরের ঘটনার বিষয়ে এডিসি সানজিদা আফরিন গণমাধ্যমকে বলেন, গত (শনিবার) তার স্বামী রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হক মামুনই আগে এডিসি হারুনের গায়ে হাত তোলেন। এছাড়া তাকেও বিনা কারণে মারধর করেন তার স্বামী। শুধু তাই নয়, তার স্বামীর সাথে যুক্ত ছিলে আরো কিছু লোকজন। 

এ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, একেবারে প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে আমাদের এডিসি হারুন অর রশিদ (সাময়িক বরখাস্ত) ও পরিদর্শক মো. গোলাম মোস্তফা বাড়াবাড়ি করেছে। আইনের ব্যত্যয় ঘটায় এরইমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। তারপর আমি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমাদের অফিসারদের কার কতটুকু দোষ সেই অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থাসহ পুলিশ সদরদপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিশ পাঠাব।


গত শনিবারের ঘটনা নিয়ে এডিসি হারুনের বক্তব্যের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। হারুনের তথ্যের বিষয়ে হারুনই জানে।

এডিসি সানজিদার বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, সানজিদার সঙ্গে আমি কথা বলিনি। সানজিদার বক্তব্য দেওয়াটা ঠিক করেনি। কারণ অনুমতি ছাড়া তিনি এভাবে বক্তব্য দিতে পারেন না। 

ঘটনায় আহত ছাত্রলীগ নেতারা হলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম।

ঘটনার পর তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
 

আমাদেরকাগজ/এমটি