ডেস্ক রিপোর্ট ।।
গত রবিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলের একতলা থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মাঝ থেকে আবরার ফাহাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, দিবাগত রাতে বুয়েটের শের-ই বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা।
আমাদের কাগজ পত্রিকার সংবাদ বিভাগে একটি সিসিটিভি ফুটেজ এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন ছেলে ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যাচ্ছে সেই বারান্দা দিয়ে যেখানে আবরারের লাশ উদ্ধার হয়েছে।
আমাদের কাগজ পাঠকদের জন্য ভিডিও দেয়া হলওঃ
আর এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্রলীগের ১০ জন নেতাকে আটক করা হয়েছে। তারা সবাই বুয়েট ছাত্রলীগের পদে আছেন। গতকাল সন্ধ্যায় ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় এই আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় শনাক্ত ১০ জনকে আটক করেছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আমরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পেয়েছি। সেটা পর্যালোচনা করছি।’
আজ মঙ্গলবার ভোরে কুষ্টিয়ায় মরদেহ পৌঁছার পর শহরের পিটিআই রোডে দ্বিতীয় জানাজা হয়। এতে অংশ নেন, নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।
পরে আবরারের মরদেহ নেয়া হয় গ্রামের বাড়ি কুমারখালি উপজেলার রায়ডাঙ্গা গ্রামে। সেখানে তৃতীয় জানাজা শেষে দাফন করা হবে।
এর আগে গত রাতে বুয়েট ক্যাম্পাসে হয় আবরারের প্রথম জানাজা। আবরারের লাশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে শেষবারের মতো বুয়েট ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়া হয়। জানাজার জন্য ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে লাশ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় মসজিদে।

















