জাতীয় ২৫ জুন, ২০২৪ ১০:০৮

এ সফর ছিল সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসু: শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে ঢাকা ও দিল্লি নতুনভাবে পথ-চলা শুরু করেছে। সে ধারাবাহিকতায় 'রূপকল্প ২০৪১'  এর 'স্মার্ট-বাংলাদেশ' প্রতিষ্ঠা এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭' নিশ্চিত করার জন্য ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করার ব্যাপারে আমরা আলোচনা করেছি। এ সফর ছিল সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসু। আমি মনে করি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এ সফর সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে।

আজ মঙ্গলবার (২৫জুন) বেলা ১১টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বিগত ১৫ বছরে একটি অনন্য উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। যার সুফল দু'দেশের জনগণ ভোগ করছেন। বিশেষ করে ২০২৩ সালে দু'দেশের সম্পর্কে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। গত বছর আমি এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে যোগাযোগ ও বিদ্যুৎখাতে চারটি প্রকল্পের উদ্বোধন করেছি। বাংলাদেশ-ভারত যৌথভাবে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিক 'মুজিব: একটি জাতির রূপকার' চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে আমি ভারতের আমন্ত্রণে জি-২০ সম্মেলনে যোগদান করেছি। বাংলাদেশ এবং ভারত দু'দেশেই নতুন সরকার গঠনের পর এ সফর অনুষ্ঠিত হলো। এ সফরকালে ভারতের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল নব-নির্বাচিত দুটি সরকার কীভাবে সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে সে বিষয়ে একটি রূপকল্প প্রণয়ন ।

তিনি আরো বলেন, “সমঝোতা স্মারক বিনিময় শেষে আমি এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখি। পরে আমার ও আমার সফরসঙ্গীদের সম্মানে আয়োজিত মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ নিই। দিল্লি ছাড়ার আগে অপরাহ্নে আমি ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি শ্রী জগদীপ ধানখারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করি। ভারতের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতকালে, আমরা দু'দেশের বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করি। তাঁরা বিগত ১৫ বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।”