নিজস্ব প্রতিবেদক
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বন্ধ হওয়া বিমানবন্দরগুলো চালু করেছে। পাশাপাশি বিমানের নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেছেন।
এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্প ছাড়াও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল, বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু কর্নার, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের নবনির্মিত প্রধান কার্যালয় পর্যটন ভবন এবং রাজধানীর গ্রিনরোডে পানি ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, নদী ও সাগরের পাড়ে পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কাজ করছে সরকার।
তিনি বলেন, ওসসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের, যশোর বিমানবন্দরকে উন্নত করা এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক মানের করে গড়ে তোলা হবে। কেননা কক্সবাজারের মতো সি-বিচ বিশ্বের কোথাও নেই। ১২০ কিলোমিটার সি বিচ।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীর সভাপতিত্বে ও সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হকের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় ২১শ কোটি টাকা ব্যয়ে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। টার্মিনালটি নির্মিত হলে নতুন টার্মিনাল দিয়ে বছরে২০ লাখ যাত্রী চলাচল করতে পারবেন। আধুনিক শৈলী সম্বলিত কাঠামোগত ডিজাইন, অদ্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা ও স্থাপনাদি এবং দৃষ্টিনন্দন উপকরণাদি ব্যবহার দেশি-বিদেশি যাত্রীদের মুগ্ধ করবে।
ভবনের স্থাপত্য নকশা যৌথভাবে করছে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ইওসিন ও হেরিম। যারা বিশ্বের বহু এয়ারপোর্টের প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনের স্থাপত্য নির্মাণ করেছে। নতুন টার্মিনাল ভবনের কাজ শেষ হলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ তথা সিলেটের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।


















