ডেস্ক রিপোর্ট ।।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়েও বঙ্গবন্ধু দেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করে ছিলেন। আন্তর্জাতিক কানেকটিভিটির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে বৈশ্বিক টেলিকম সংস্থা আইটিইউ এর সদস্যপদ অর্জন এবং বেতবুনিয়ায় ভূউপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষার হার শতকরা ২০ ভাগ থেকে আজ ৭৩ উন্নীত হয়েছে। দেশে নারী শিক্ষা শতকরা শূন্য ভাগ থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখন শতকরা ৫৩ ভাগ নারী শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপান্তরের জন্য যে পদক্ষেপ গ্রহণের দরকার, তার রূপ রেখা ও ভিত্তি বঙ্গবন্ধু রচনা করে গেছেন।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর বিটিআরসি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
আরো পড়ুন: উত্তম জীবন গঠনে বঙ্গবন্ধুকে অনুসরনের কথা বললেন মোস্তাফা জব্বার
মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশ শব্দের সমার্থক শব্দ বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ নামের সমার্থক শব্দ শেখ হাসিনা। এই দুটি নাম একসঙ্গে মিলে গেছে। এই দুইয়ের মিলিত স্রোতধারা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করবে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় যারা বিরোধিতা করেছে, যারা ১৫ আগস্টের নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে তারাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে। এই অপশক্তি দেশের ভেতর ও বাইরে থেকে বাংলাদেশকে মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক এবং নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী অকার্যকর রাষ্ট্র বানাতে চায়, বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চায়। বাংলাদেশর এই শত্রুদের আর বাড়তে দেওয়া যাবে না।




















