রাজনীতি ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ ০১:১৯

হত্যার উদ্দেশ্যে আমাকে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ: ইশরাক

ছবিঃ ইন্টারনেট

ছবিঃ ইন্টারনেট

আমাদের কাগজ ডেস্কঃ সম্প্রতি পুরান ঢাকায় লিফলেট বিতরণ কালে হামলার শিকার হয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ১ নম্বর সদস্য প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন। তিনি জানান, ছাত্রলীগের কিছু কতিপয় নেতাকর্মী অতর্কিত হামলা ও গাড়ী  ভাঙচুরের শিকার হন তিনি। 

গতকাল রোববার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। 

 

এ ঘটনার পর ছাত্রদলের পালটা হামলায় সেখানে এক বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের আলামত পাওয়া যায়। এতে প্রায় ৩০ জন আহত হয়।

হামলার প্রতিবাদে জবি ছাত্রলীগকে দায়ী করে ইশরাক হোসেন বলেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সেখানে লিফলেট বিতরণ করতে গেলে ছাত্রলীগ নেতাদের নেতৃত্বে কয়েকজন সন্ত্রাসী ইট-পাটকেল, রড, হকিস্টিক নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুরেরও ঘটনা ঘটায় তারা। 

ইশরাক জানায়, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। পুলিশের সামনে তার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ ছাত্রলীগকে থামানোর পরিবর্তে উলটো বিএনপি নেতাকর্মীদের আটকের অভিযোগ করেন তিনি। পরে সেখান থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান ইশরাক হোসেন। 

তিনি জানান, যতই হামলা করুক না কেন, যেকোনো মূল্যে আমরা ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ সফল করব। দুপুর ১টার দিকে গোপীবাগ থেকে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন ইশরাক। জনসংযোগ সহযোগে মিছিলটি রাজধানীর ওয়ারী, বংশাল, রথখোলা মোড়, রায়সাহেব বাজার ও ইসলামপুর হয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শেষ হয়। এ সময় পুরান ঢাকার ওয়ারী থানা, বংশাল ও কোতোয়ালি থানায় গিয়ে তিনি সমাবেশ উপলক্ষ্যে নেতাকর্মীদের হয়রানি না করতে পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান। 

এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজির দাবি, ইশরাক হোসেনের কর্মীদের হামলায় তাদের ১০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্ত আছে। প্রক্টরিয়াল বডি সতর্ক অবস্থানে আছে।

ভাইরাল এক ভিডিওতে দেখা যায়, ইশরাকে গাড়ির বাইরে থেকে কিছু লোক গায়ে হাত তুলতে। তখন ইশরাককে বলতে শুনা যায়, আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। 


ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। ৫ এপ্রিল ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। রাজধানী ঢাকায় বেড়ে ওঠা। ২০১১ সালে স্নাতকোত্তর শেষ হওয়ার পরে পারিবারিক ব্যবসায় জড়িত হন। দেশপ্রেমে রাজনীতিতে আবির্ভাব। তার বাবা ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ এবং সাবেক মন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকা। মৃত্যুর আগে তিনি ছিলেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সর্বশেষ মেয়র।

আমাদের কাগজ/এম টি