নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন,আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন,বুধবার (৭ ডিসেম্বর) থেকে সব পাড়া, মহল্লা, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সতর্ক পাহারায় থাকতে বলেছেন।
তিনি বলেন, ডিসেম্বরে খেলা হবে বিএনপির বিরুদ্ধে, ভুয়া ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে, আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। আপনারা প্রস্তুত হয়ে যান। তিনি বলেন, বিএনপির ডাকে মহাসমাবেশ হয় সমাবেশ। আর আওয়ামী লীগের সমাবেশের ডাকে মহাসমাবেশ হয়। এটাই হলো বাস্তবতা। আজকে তারুণ্যের সমাবেশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।
মঙ্গলবার ( ৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার শেখ হাসিনার নতুন অঙ্গীকার স্মার্ট বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা পরবর্তী প্রজন্মকে নিয়ে ভাবেন। তার পরবর্তী ভিশন ২০৪২- শান্তির বাংলাদেশ। মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে যিনি জীবনের জয়গান গান, তিনি শেখ হাসিনা। যিনি ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে সৃষ্টির পতাকা ওড়ান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, জবাব দিতে হবে এই খুনিদের কারা পুরস্কৃত করল? নিরাপদে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিল কে? জিয়াউর রহমান। খুনিদের বিচার হবে না মর্মে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করল কে? সেনাপতি জিয়াউর রহমান। ১৫ আগস্টের মাস্টার মাইন্ড জিয়াউর রহমান আর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ড জিয়াপুত্র তারেক রহমান। দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি দেশের চিন্তা করেন সার্বক্ষণিক। উনি আমাদের ক্রাইসিস ম্যানেজার।
ছাত্রলীগের দপ্তর সেল থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য সাড়ে ৮০০ আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২৫৪টি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিতে ২৫০টি এবং মহানগরে ৩৪০টি আবেদন জমা পড়েছে।
সর্বশেষ ছাত্রলীগের সম্মেলন হয়েছিল ২০১৮ সালের মে মাসে। ওই বছরের জুলাইয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি পদে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক পদে গোলাম রাব্বানী দায়িত্ব পান।
আমাদের কাগজ// টিএ






















