নেতাকর্মীর মৃত্যু নিয়ে যা বললেন আমানউল্লাহ আমান
ছবি - সংগৃহীত
আমাদের কাগজ ডেস্ক: বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, ‘প্রয়োজনে রাস্তায় মরে যাবো, তবুও শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন নয়’ এ সময় সরকারকে হুশিয়ারি করে বলেন, যদি আমাদের কোনো একজন নেতাকর্মীর মৃত্যু হয়, তাহলে এক নম্বর আসামি হবে শেখ হাসিনা। দুই নম্বর আসামি হবে ওবায়দুল কাদের এবং তিন নম্বর আসামি হবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আজ সোমবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আমরা আমাদের জীবনকে উৎসর্গ করলাম। প্রয়োজনে রাস্তায় মরে যাবো, তবুও শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে না।গত শনিবার রাজধানীর প্রবেশ মুখে অবস্থান কর্মসূচির সময় পুলিশি হামলা, মামলা ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম। সমাবেশ সঞ্চালনা করছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ।
সমাবেশে থেকে আমানউল্লাহ আমান সরকারকে হুশিয়ারি করে বলেন, যদি আমাদের কোনো একজন নেতাকর্মীর মৃত্যু হয়, তাহলে এক নম্বর আসামি হবে শেখ হাসিনা। দুই নম্বর আসামি হবে ওবায়দুল কাদের এবং তিন নম্বর আসামি হবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
‘প্রয়োজনে রাস্তায় মরে যাবো, তবুও শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন নয়’
এ সময় তিনি শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, জুতা মেরে গরু দান। আপনি কি পাঠান? ফল পাঠান। ওষুধ খাওয়ে আমাকে ঘুমিয়ে রেখেছে, হঠাৎ করে দেখি এই পরিস্থিতি। আমার সঙ্গে কারো কোনো কথা হয় নাই। আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সঙ্গেও খওয়ানোর নামে নাটক দেখিয়েছে। নাটক করে লাভ নেই। শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতেই হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন দিতেই হবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, ভয় করবেন না। কারণ আল্লাহ ছাড়া আমরা কাউকে ভয় করি না। তাই ভয়ের কোন কারণ নেই। আন্দোলন চলছে, চলবে। গ্রেপ্তার সকল নেতাকর্মীকে মুক্তি দিতে হবে।
এ সময় তিনি বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে মাঠে নেমে আন্দোলন আরও জোরদার করার করার আহ্বান করেন।
সমাবেশে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, বিগত কয়েক দিনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানুল্লাহ আমানসহ বহু নেতাকর্মীর ওপর হামলা হয়েছে। কেবল কৃষক দলেরই শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
‘আওয়ামী লীগ পচে-গলে দেশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে’ মন্তব্য করে শহিদুল ইসলাম বলেন, তারা বিএনপির নেতাকর্মীদের হত্যা করে আন্দোলন দমিয়ে রাখতে চাইছে। কিন্তু সরকারের পতন ছাড়া আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।
আমাদেরকাগজ/এমটি