ডেস্ক রিপোর্ট ।।
দু’চার জন ব্যক্তির জন্য সমগ্র যুবলীগ তার দায় নিতে পারেনা। যাদের দ্বারা যুবলীগ কলঙ্কিত হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে সারাদেশে বার্তা দিয়েছেন। যে অন্যায় করুক সে যে দলেরই হোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সফল রাষ্ট্র নায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যে দলেরই হোক তার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবেন এবং সেই কঠোর অবস্থানের মধ্য দিয়ে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে তা চলবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।
আগামী ২৩ নভেম্বর যুবলীগের কংগ্রেসকে কেন্দ্র করে যুবলীগের চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এবং যারা অপকর্মের সাথে জড়িত তাদের কেও অব্যাহতির মধ্যে দিয়ে যুবলীগ কংগ্রেসে নতুন নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে আবার নবতর যাত্রা শুরু করবে।
এছাড়াও তিনি আরো বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাধীন, তারা স্বাধীনভাবে কাজ করছেন। তাদের যার কাছে হিসাব চাওয়ার সে যেই হোক তার কাছে হিসাব চাইতে পারে, তদন্ত করতেই পারে। তারা যে দায়িত্ব পালন করছেন সে দায়িত্ব পালনে আমাদের সকলকেই সহযোগিতা করতে হবে।
বুধবার দুপুরে কুড়িগ্রাম শেখ রাসেল পৌর অডিটোরিয়াম উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। পরে তিনি কুড়িগ্রাম জেলা শাখা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় যোগ দেন। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন-এমপি। জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মন্ডলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, আওয়ামীলীগের রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল মতিন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আলী প্রমূখ।






















