ডেস্ক রিপোর্ট।।
নির্মাণের পাঁচ বছরেও চালু হয়নি খাগড়াছড়ির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। অযত্নে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান যন্ত্রপাতি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জনবল সংকটে কার্যক্রম চালু করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসসহ সার্বিক পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরে পৌঁছানোর লক্ষ্যে ২০১৪ সালে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় নির্মিত হয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। পাহাড়ে আবহাওয়া উপযোগী চাষাবাদের গবেষণা এবং দুর্যোগ সতর্কীকরণেও ভূমিকা রাখবে এই প্রতিষ্ঠান।
কিন্তু জনবল সংকটের কারণে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আবহওয়া কেন্দ্রটি এখন আর কোনো কাজে আসছে না। ৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র দুই জন।
একজন উচ্চমান পর্যবেক্ষক ও একজন পর্যবেক্ষক দিয়ে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক শুবোধি চাকমা বলেন, আবহওয়ার ডাটা নিয়মিত কেন্দ্রীয় অফিসে প্রেরণের কথা থাকলেও জনবল সংকটের কারণে তা প্রেরণ করতে পারছি না। দ্রুত সময়ে জনবল নিয়োগ দিলে আমরা কেন্দ্রটি চালু করতে পারব।
দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের উচ্চমান পর্যবেক্ষক ধর্মজ্যোতি চাকমা বলেন, আবহাওয়া কেন্দ্রটি চালু অতি ভারী বর্ষণ, শৈত্য প্রবাহ,পাহাড় ধসের পূর্বাভাস, কৃষক ভাইদের কৃষি পূর্বাভাস দেয়া যাবে।
আবহওয়া কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্ল্যাহ বলেন, আবহাওয়া কেন্দ্রে ৮ জনবল থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ২ জন। দ্রুত আবহাওয়া কেন্দ্রের কার্যক্রম চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।
২০০৯ সালে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়ন হয় এই প্রকল্প। লোকবলের অভাবে নষ্ট হচ্ছে এর মূল্যবান যন্ত্রপাতি। চুরি হয়ে যাচ্ছে ভবনের আসবাবপত্র, সোলার প্যানেলও।





















