আমাদের কাগজ ডেস্কঃ বেশিরভাগ মানুষ ঝাল খাবার খেতে পছন্দ করেন। ঝাল খাবার তৈরির সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদান হলো মরিচ। তবে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। ব্যাবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে সংকট দেখা দিয়েছে কাঁচা মরিচের। তাই একদিনের ব্যবধানে মরিচের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩০ টাকা।
শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হিলি সবজি বাজার ঘুরে জানা যায়, ১১০ টাকার কাঁচামরিচ খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি দরে। হঠাৎ দাম বাড়ায় বিপাকে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার বাজারে প্রতিকেজি কাঁচামরিচের পাইকারি দাম ছিলো ১০৪ টাকা আর খুচরা ছিলো থেকে ১১০ টাকা। শুক্রবার সেই কাঁচা মরিচ পাইকারি ১২৪ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে।
সবজি কিনতে আসা মিশু রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার হাটবারের দিন যে কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি ১১০ টাকা দরে কিনেছিলাম, আজ সেই কাঁচা মরিচ কিনলাম ১৪০ টাকা কেজি দরে। হঠাৎ এতো দাম বাড়লে আমরা কিভাবে চলবো। আমাদের আয় তো আর বাড়ছে না।
হিলি বাজারের কাঁচামরিচ ব্যবসায়ী কাদের মিয়া জানান, বাজারে কাঁচা মরিচের দাম হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা ১২৪ টাকা দরে পাইকারি কিনে তা বিক্রি করছি ১৪০ টাকা কেজি দরে। আমাদের কিনা বেশি তাই বিক্রিও বেশি দামে করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন বলেন, কাঁচা মরিচ আমদানির জন্য বাংলাদেশের আইপি (ইমপোর্ট পারমিশন) গত ৬ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। আর এ কারণে গত ৬ মাস যাবৎ ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি বন্ধ আছে। এছাড়া এলাকায় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারগুলোতে কাঁচা মরিচের দাম দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। সরকার ইমপোর্ট পারমিশন না দিলে দাম আরও বাড়তে পারে।
তবে সাধারণ মানুষের মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সেটি হল, রমজানকে সামনে রেখে এমনটা হচ্ছে কিনা। কারণ পাতে কাঁচা মরিচ ছাড়া অনেক বাঙালির খাওয়াই হয় না। কিন্তু কাঁচা মরিচের ব্যবহার কি কেবল রান্নায় ঝাল আর সুগন্ধ বাড়ানোর জন্য? তা নয়। এই কাঁচা মরিচ ভিটামিনের এক চমৎকার উৎস। রয়েছে নানা পুষ্টিগুণও।
আমাদের কাগজ/এমটি





















