নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়ার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এমএ ফারুক আর নেই। বুধবার, ১২ এপ্রিল সকাল ৬টার দিকে ঢাকার শ্যামলীতে ছেলের বাসায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না..রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিলো ৭৭ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ মেয়ে ও ১ ছেলেসহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
অধ্যাপক এমএ ফারুক প্রাক্তন এমএলএ (মেম্বর অব লেজিজলেটিভ এসেমবিলি- ১৯৫৪ সাল), প্রাক্তন এমপিএ (মেম্বর অব প্রভিনশিয়াল এসেমবিলি- ১০৭০ সাল), প্রাক্তন এমসিএ (মেম্বর অব কনসটিটুয়েন্ট এসেমবিলি- ১৯৭৩ সাল) মমতাজ আহমেদের বড়পুত্র। তার গ্রামের বাড়ি কলারোয়া উপজেলার ৫নং কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে। কলারোয়া হাসপাতাল রোডের বাড়িতে তিনি বসবাস করতেন। তার স্ত্রী মহিলা আ.লীগ নেত্রী মনোয়ারা ফারুক কলারোয়া উপজেলা
পরিষদের প্রাক্তন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।
অধ্যাপক এমএ ফারুক কলারোয়া উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি কলারোয়া কলেজে অধ্যাপনার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। কলারোয়া কলেজ সরকারি হওয়ার পর তিনি দেশের বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। তিনি মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, যশোর শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক ছিলেন। সর্বশেষ সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদায় উন্নীত হয়ে তালা সরকারি কলেজের উপধ্যক্ষ পদে আসীন হয়ে সেখান থেকে অবসর গ্রহন করেন।
জীবদ্দশায় অধ্যাপক এমএ ফারুক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানান সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি কলারোয়ায় হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদের হোমিও অনুরাগী সদস্য, বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, কোটারমোড় মমতাজ আহম্মেদ কৃষি কলেজ, যুগিখালী মমতাজ আহম্মেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলারোয়া মমতাজ আহম্মেদ মিউনিসিপ্যাল স্কুল, বোয়ালিয়া মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রি কলেজসহ স্থানীয় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও প্রতিষ্ঠার পিছনে তার অবদান ছিলো বিশেষ।
সদ্যপ্রয়াত অধ্যাপক এমএ ফারুকের রুহের মাগফিরাত ও শোকাহত পরিবারবর্গকে সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। অধ্যাপক এমএ ফারুকের লাশ কলারোয়ার বোয়ালিয়ায় দাফন করা হবে জানা গেছে।
আমাদেরকাগজ/ এইচকে





















