আমাদের কাগজ ডেস্ক: নাড়ির টানে রাজধানী ছেড়ে বাড়ি যাওয়া কর্মজীবীরা আজ ঈদের ৬ষষ্ট দিনেও ফিরছেন গন্তব্যে। কেউ আসছেন পরিবারের কাছে কেউবা নিজ নিজ কর্মস্থলে। তবে এদের মধ্যে বেশির ভাগই স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করছেন বলে জানা যায়।
এদিকে গত সোমবার অফিস আদালত খুললেও অতিরিক্ত ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে কমলাপুর রেলস্টেশন ও গাবতলী বাস টার্মিনালে ঢাকায় আসা যাত্রীদের চাপ দেখা গেছে।
সকালে ঢাকায় ফেরা যাত্রীর চাপ ছিল গাবতলি, টেকনিক্যাল ও কল্যাণপুর বাস টার্মিনালে। রাজধানীতে আসতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ।
ফরিদপুর থেকে ফেরা বেসরকারি চাকরিজীবী আকরাম হোসেন বলেন, ঈদের আগের দিন বাড়ি গিয়েছিলাম। সরকারি ছুটির পাশাপাশি অতিরিক্ত ছুটি নিয়েছিলাম। সেটা শেষ করে আজ ঢাকায় ফিরলাম। যাত্রাপথে কোনো ভোগান্তি হয়নি।
ব্যবসায়ী ইয়াদ মিয়া জানান, বাবা-মায়ের সঙ্গে বছরের এই ঈদের সময়টাতেই দেখা হয়। তাই ঈদের আগের দিন গিয়েছিলাম আজ ঢাকায় আসলাম।
বেসরকারি চাকরিজীবী সালমা বলেন, জামালপুর থেকে ট্রেনে ঢাকা ফিরেছেন। তিনি বলেন, ঈদের দু’দিন আগেই অনলাইনে টিকিট কেটে বাড়ি গিয়েছিলাম। অফিস থেকে অতিরিক্ত ছুটি নেওয়া ছিল। তাই আজ ফিরছি। ফেরার টিকিটও সহজে অনলাইন থেকে কিনতে পেরেছি। যাওয়া আসার পথে এবার কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয়নি।
ভোলা থেকে লঞ্চে আসা আকাশ জানান, ঈদের ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত ছুটি নিয়েছিলাম, পরিবারসহ আজ ঢাকায় এলাম। পরিবারকে ছেড়ে আসতে বেশ কষ্টই হচ্ছে। তবুও কিছু করার নেই।
পরিবহন গুলোর বাসের সুপারভাইজারা বলেন, ঈদের পরের দিন থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের বাসের সব টিকিট আগেই বিক্রি হয়েছিল। ঢাকায় ফেরা যাত্রীর প্রচুর চাপ। আগামী শনিবার পর্যন্ত এ চাপ থাকবে।
তারা জানান, আজকেও ভোর থেকে যেসব বাস দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হয়ে ঢাকায় আসা প্রতিটি বাসেই যাত্রীর চাপ ছিল। আগামী দুই-তিন দিন ঢাকায় আসা মানুষের চাপ থাকবে।
আমাদের কাগজ/তুষার






















