আমাদের কাগজ ডেস্ক: সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ধর্ষণের পর এক কিশোরীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে, সুমাইয়া খাতুন (১৪) নামে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ছাবেন আলী (৩২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ মে) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (৯ মে) দুপুরে তাড়াশের কোহিত দিঘীরপারা এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমাইয়া উপজেলার পৌর সদরের কোহিত গ্রামের বেল্লাহ হোসেনের মেয়ে। আটক ছাবেন আলী একই এলাকার ওসমান আলির ছেলে।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, সুমাইয়ার বাবা চাকরিসূত্রে ঢাকা থাকেন। কোহিত দিঘীরপারা এলাকায় সুমাইয়া তার দাদির সঙ্গে বসবাস করতো। মঙ্গলবার তার দাদি ছাগল নিয়ে মাঠে যাওয়ায় সুমাইয়া বাড়িতে একা ছিলো। এ সময় ছাবেন আলী ঘরে ঢুকে সুমাইয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে সুমাইয়ার দাদি বাড়ি ফিরে তার মরদেহ দেখতে পায়।
ওসি আরও জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও বিভিন্ন তথ্যসূত্রের মাধ্যমে বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত যুবক ছাবেন আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আমাদের কাগজ/এমটি




















