সারাদেশ ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০২:৪৬

সুলতান’স ডাইনের কাচ্চিতে সেদিন খাসিই ছিল: পিবিআই 

আমাদের কাগজ ডেস্ক : সুলতান`স ডাইনের কাচ্চির মাংস নিয়ে সন্দেহে গত (৮ মার্চ) তুমুল হইচই পড়ে যায়। আর অভিযোগটি তুলেছিলেন কনক লায়লা ও আবদুল হাকিম নামের দুই ভোক্তা। তাঁরা বেসরকারি যমুনা ব্যাংকের খণ্ডকালীন কর্মকর্তা ছিলেন।

এদিকে সুলতান’স ডাইনের কাচ্চি বিরিয়ানি নিয়ে মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগে ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তদন্তে দেখা গেছে, সুলতান’স ডাইনের কাচ্চিতে খাসির মাংসই ছিল। কুকুর-বিড়ালের মাংস ছিল না। যা পুরোপুরি ভুল ও মিথ্যা অপবাদ বলে নিশ্চিত করেন তদন্ত অধিদপ্তরটি। 

এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। যাতে অভিযোগ কারীরদের নাম উল্লেখ্য করা হয়। 

এরও আগে, কাচ্চি বিরিয়ানিতে খাসির মাংসের পরিবর্তে কুকুর-বিড়ালের মাংস দেওয়ার মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগে গত ৩ এপ্রিল ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নালিশি মামলা করেন সুলতান’স ডাইনের গুলশান শাখার ব্যবস্থাপক কামাল আহমেদ। পরে আদালত এ অভিযোগ তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দিল পিবিআই। 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘তদন্তে উঠে আসে, সুলতান’স ডাইনের কাচ্চি বিরিয়ানিতে খাসিই ছিল। কিন্তু সুলতান’স ডাইনের ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট করতে তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালানোর মতো ঘটনা ঘটে। এতে জনমনে চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয় প্রতিষ্ঠানটি।

তিনি বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে খুব কম বিশ্বাস যোগ্য। কারণ এখানে অনেকে ভুল তথ্য দিয়ে আপত্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে বিপদে ফেলে। এ ব্যাপারে নজরদারি আরও বাড়ানো দরকার।’

বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা খন্দকার রুহুল আমিন বলেন, সুলতান’স ডাইনের কাচ্চি বিরিয়ানিতে খাসির মাংসের বদলে কুকুর-বিড়ালের মাংস ছিল বলে যাঁরা ফেসবুকে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছিলেন, তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। 

আমাদেরকাগজ/এমটি