সারাদেশ ৬ অক্টোবর, ২০২৩ ১১:৪২

ফরিদপুরে 

১ মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে তছনছ ৬টি গ্রামসহ শতাধিক কাচা-পাকা ঘর

ফরিদপুর প্রতিনিধি : মাত্র এক মিনিটের স্থায়ী ঘূর্ণিঝড়ে দুইটি ইউনিয়নের অন্তত ৬টি গ্রামের শতাধিক কাচা-পাকা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে উপড়ে পড়েছে কমপক্ষে তিনশতাধিক গাছপালা। তবে এতে কোন প্রাণ আশঙ্কা ঘটেনি। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়। 

তবে কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও ক্ষতিগ্রস্তরা অনেকেই খোলা আকাশের নিচে ও আশপাশের বাড়ি-এলাকায় অবস্থান নিয়েছিলেন অনেকেই।  

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে বিপাকে পড়েছে সেখানকার সাধারণ মানুষ। বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে ওই পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার)বিকেল সোয়া তিনটার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়ন ও টগরবন্ধ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের নাম,পরিচয় ও তালিকা পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ও প্রশাসন সুত্রে জানাগেছে, (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে সারাদিন অঝোর ধারায় বৃষ্টি প্রবাহিত হয়। এতেই আগাম বার্তা পায় ঘূর্ণিঝড়টি। দুপুর সোয়া তিনটার দিকে দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে ধেয়ে আসা এই ঘূর্ণিঝড় মাত্র এক মিনিটেরও কম সময় স্থায়ী ছিল। তাতেই উপজেলার সদর ইউনিয়ন বিদ্যাধর,ব্রাহ্মণ-জাটিগ্রাম,বেজিডাঙ্গা ও টগরবন্ধ ইউনিয়নের মালা,কৃষ্ণপুর-টগরবান, তিতুরকান্দি গ্রামের কাচা-পাকা বাড়িঘর, গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফসলি জমিও নষ্ট হয়েছে।

সদর ইউনিয়নের বিদ্যাধর গ্রামের ইউপি সদস্য মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকেই সারাদিন ধরে প্রচন্ড বৃষ্টি। বিকেলের দিকে হঠাৎ করে এক মিনিটের মতো সময়ে ঘুর্ণিঝড়ে আমাদের ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের ২০ থেকে ৩০ টি কাচা-পাকা ঘরবাড়ি গাছপালা ভেঙ্গেচুরে উপড়ে ফেলে। এর আগের থেকেই বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন। 

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক(ডিসি) মো. কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। হঠাৎ করে ঘুর্ণিঝড়টি রুপ নেয়। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করছে। আগামীকাল সকালে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার কথা বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।

আমাদেরকাগজ/(এমটি)