সারাদেশ ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০২:৩৫

ভোটারের স্বাক্ষরসহ জমা, খাদ্যমন্ত্রীর আসন বলে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাতিল  

আমাদের কাগজ ডেস্ক: ‘রিটার্নিং কর্মকর্তা যে রায় দিয়েছেন, তাতে আমি সন্তুষ্ট নই। এই রায়ের বিরুদ্ধে আমি নির্বাচন কমিশনে আপিল করব। প্রয়োজন পড়লে হাইকোর্টে যাব।’ এমনটাই ক্ষোভের সাথে উল্লেখ্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের আসনে স্বতন্ত্র এক মনোনয়ন প্রার্থী। 

এর আগে সোমবার সকালে যাচাই–বাছাই শেষে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. গোলাম মওলা। মনোনয়ন বাতিল হওয়া দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতা খালেকুজ্জামান তোতাকে খাদ্যমন্ত্রীর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবছিলেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার) আসনে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই–বাছাই শেষে তাঁদের মধ্যে দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। 

তাঁরা দুজন হলেন—স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খালেকুজ্জামান ও সোহরাব হোসেন। মনোনয়নপত্রে কোনো ত্রুটি না থাকায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারসহ অন্য চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারিফুজ্জামান বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেকুজ্জামান নির্বাচনী হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন করায় এবং দৈব্যচয়ন ভিত্তিতে অনুসন্ধানে ভোটার তালিকার ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর যাচাই করে ত্রুটি পাওয়া যায়। ফলে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। 

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহরাব হোসেনের মনোনয়নপত্রে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরসহ তালিকা জমা না দেওয়া এবং অন্যান্য কাগজপত্রে ত্রুটি পাওয়ায় তাঁর মনোনয়নটি বাতিল করা হয়।

মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে জানতে চাইলে খালেকুজ্জামান বলেন, ‘আমি সন্তুষ্ট নই। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব। প্রয়োজন পড়লে হাইকোর্টে যাব।’

আমাদরেকাগজ/এমটি