ডেস্ক রিপোর্ট।।
সীমা লঙ্ঘনকারীদের সতর্ক করে ছাত্রলীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বলেছেন সংগঠনে টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ ও মাদকসেবীদের জায়গা হবে না।
তারা জানান, কোনো ধরনের অপকর্মের প্রমাণ পেলে, তাৎক্ষণিকভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশপাশি তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হবে।
হঠাৎ করেই ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতার অপসারণ, ক'দিনের ব্যবধানে বুয়েটে আবরার হত্যা, সব মিলিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছে ছাত্রলীগ। এ অবস্থায় ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতা বলছেন সংগঠনের কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলেই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, কেউ যেন অতিউৎসাহী হয়ে কোনো কাজ না করেন। আর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, কারো অপকর্মের দায়ভার সংগঠন নেবে না।
ছাত্রলীগকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে দাবি করে, তারা বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। ছাত্রলীগে কোনো ধরনের গ্রুপিং বরদাস্ত করা হবেনা বলেও হুঁশিয়ারি তাদের।
ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, 'ছাত্রলীগের ঐক্যবদ্ধতাকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায় স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। তারা তাদের নিদৃষ্ট একটি এজেন্ডাকে সামনে রেখে ছাত্রলীগের ক্ষতি করার জন্য এ কাজগুলো করছে।’ প্রতিটি ইউনিটের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আপনাদের নেতৃত্বে আপনাদের ইউনিটের প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে এক এক করে বের করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মীর প্রতি আমার আহ্বান থাকবে যে বিভিন্ন সামাজিক কাজ গুলো তারা করবে। এর মাধ্যমে মানুষের ভালবাসা আমরা আগেও অর্জন করেছি, ভবিৎষতেও করতে চাই।’




















