জেলা প্রতিনিধি
শেরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে ও গাড়িচাপায় ছাত্র হত্যার মামলায় গাড়িচালক হারুনুর রশিদ (৫১) ও ছাত্রলীগ নেতা আশিকুর রহমান আশিককে (২৭) সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাতে ভিন্ন ভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হারুন শেরপুর ডিসি অফিসের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বহনকারী সাবেক গাড়িচালক ও ময়মনসিংহ সদরের কেওয়াটখালি বাইপাস রোডের জয়নাল আবেদীনের ছেলে। আর আশিক জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলার বারঘরিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীন তোতার ছেলে।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে গাড়িচালক হারুনকে সবুজ, মাহবুব ও সৌরভ হত্যার তিন মামলায় এবং ছাত্রলীগ নেতা আশিককে ওই তিন ছাত্র হত্যা মামলাসহ ছয় মামলায় রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর মাহমুদ উভয়কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামির মামলার নথিগুলো তলব মতে দায়রা আদালতে থাকায় নথি প্রাপ্তি সাপেক্ষে রিমান্ড শুনানির তারিখ ধার্য করা হবে।
আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার মিছিলে গাড়িচাপায় কলেজ শিক্ষার্থী সবুজ মিয়া, মাহবুব আলম ও শারদুল আশীষ সৌরভকে হত্যার তিন মামলায় পেশায় মেকানিক গাড়িচালক হারুনুর রশিদকে সদর থানার এসআই আনসার আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি অফিস প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার করে। হারুন ঘটনার পর বদলি হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি অফিসে কর্মরত ছিলেন। একইদিন রাতে সদর উপজেলার বারঘরিয়া এলাকা থেকে তিন ছাত্র হত্যাসহ ছয় মামলায় আশিককে সদর থানার এসআই মানিক চন্দ্র দের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাদের ওইসব মামলায় পাঁচ দিন করে রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে।




















