৫০ বছরেও শ্রমিকদের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠতে পারেনি শ্রমিক লীগ। নেতাদের কারণে একাধিকবার হতে হয়েছে নেতিবাচক সংবাদের শিরোনাম।
চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি, কমিটি বাণিজ্য ছাড়াও রয়েছে নিজেদের মধ্যে দলাদলির অভিযোগ। যদিও সংগঠনের নেতারা এসব অভিযোগ মানতে নারাজ।
১৯৬৯ সালের ১২ই অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় শ্রমিক লীগ। সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০১২ সালে। দীর্ঘ ৭ বছর পর ৯ই নভেম্বর জাতীয় সম্মেলনের দিন ঠিক করা হয়েছে আওয়ামী লীগের সহযোগী এ সংগঠনটির।
নামে শ্রমিক সংগঠন হলেও শ্রমিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকাণ্ড নেই সংগঠনটির। তার বদলে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অপকর্মের অভিযোগ।যদিও সভাপতি শুকুর মাহমুদ বলছেন, যারা অপকর্ম করছেন তারা শ্রমিক হতে পারেন না।
তিনি বলেন, 'শ্রমিকরা তখনি শোষক হবে যখন তারা শ্রমিক না হবে। সরকারিভাবে চাদা আদায় করার একটা নীতি আছে। ওই নীতির বাইরে আমাদের চাদা সংগ্রহ করার কোনো নিয়ম নেই। যে করবে তার বিরুদ্ধে সরকার যা ব্যবস্থা নেবে আমরা তা মাথা পেতে নেব।'
আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ বলছেন, শ্রমিক লীগের নামে ওঠা সব অভিযোগ সত্য নয়। তিনি বলেন, 'যেভাবে কাজ করা দরকার, যতটুকু কাজ করা দরকার তা হয়তো সেভাবে নেই। কিন্তু মালিকদের সাথে আতঁত করে কাজ থেকে বিরত থাকে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাদের কাজে চ্যুতিবিচ্যুতি থাকতে পারে, কিন্তু আদর্শে বিচ্যুতি আছে, এটা আমি মনে করি না।'
যদিও সম্প্রতি শ্রমিক লীগের নরসিংদী জেলা শাখার নেতারা কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে ধরেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের কাছে। বিষয়টি নিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের হুশিঁয়ার করেন ওবায়দুল কাদের।





















