ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
তুরস্কের আঙ্কারার সাবেক মেয়র মেলিহ গোকসেক ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধুর স্মরণে রাস্তাটির নামকরণ করেন। কিন্তু এরপর স্থানীয়দের উচ্চারণের সমস্যার কারণে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ সড়কটির নামে কাটছাঁট করে শুধু ‘বঙ্গবন্ধু’ রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন।
গতকাল এক লিখিত বিবৃতিতে দ্য আঙ্কারা মেট্রোপলিটন মিউনিসিপ্যালটি জানিয়েছে, বঙ্গবন্ধুর পুরো নাম তুর্কিদের উচ্চারণ করতে এবং লিখতে সমস্যা হয়। অনেকে বিষয়টি নগর প্রশাসনকে অবগত করেছেন।
বাংলাদেশের জাতির জনকের নামের শেষ দুটি অংশ তুরস্কের ভাষায় উচ্চারণ এবং লেখার সময় কিছুটা পাল্টে যায়। এই অংশটিই কারো কারো উচ্চারণ করতে কষ্ট হয়। তুরস্কের দৈনিক পত্রিকা ডেইলি সাবাহ তাদের অনলাইন সংস্করণে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার নগরকর্মীরা কানকায়া জেলার রাস্তাটিতে নতুন নাম ‘বঙ্গবন্ধু’ লেখা একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করেন।
বছর দুই আগে তুরস্কের ইস্তানবুল ভিত্তিক আন্তর্জাতিক টেলিভিশন চ্যানেল টিআরটি ওয়ার্ল্ড কয়েকটি সড়কের নামের ‘কঠিন উচ্চারণ’ প্রসঙ্গে একটি প্রামাণ্যচিত্র সম্প্রচার করে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি বেশ আলোচনার জন্ম দেয়।
ওই সময় স্থানীয় চাইইওলু অধিবাসীদের পক্ষে উমিত মাহাল্লে (মুহতার) প্রধান আয়সে চালিসকান একটি আবেদন দাখিল করেন। এরপর আঙ্কারা মেট্রোপলিটন সিটি কাউন্সিল একটি কমিশন গঠন করে। কমিশন তখন নাম পরিবর্তনের আবেদন ‘অগ্রহণযোগ্য বা অনুপযুক্ত’ বলে খারিজ করে দেয়।
কমিশন এখনো তাদের আগের অবস্থানে অটল। কর্মকর্তারা বলেছেন, নাম পুরোপুরি পাল্টানো যাবে না; বরং কিছুটা সংক্ষিপ্ত করা হবে।
১৯৯৭ গোকসেক সেবছর ১ এপ্রিল বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত মাহবুব আলমকে সঙ্গে নিয়ে দু’দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ‘সেতু-বন্ধনে’ সড়কটি উদ্বোধন করেন।




















