আন্তর্জাতিক ৩১ আগস্ট, ২০১৯ ০৫:২৯

কোন অজুহাতে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ গেলো ১৯ লাখ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

আসামে বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বেশ পুরোনো। যদিও বাংলাদেশ সরকার সবসময় এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় বরাবরের মতই জানিয়েছে যে আসামে বাংলাদেশের কোন অবৈধ নাগরিক নেই। 

তবে আসামের অল আসাম স্টুডেন্ট ইউনিয়ন(আসু) সর্বপ্রথম অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়টি সামনে এনে আন্দোলন শুরু করে। ফলস্বরূপ কয়েকটি দাঙ্গায় হতাহতের ঘটনায় আসামে বহু মুসলিম নিহত হয়।

পরবর্তিতে ১৯৮৫ সালে রাজিব গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে আসু সহ আরও বেশ কয়েকটি সংগঠনের সাথে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৪শে মার্চ আগে থেকে আসামের বাসিন্দা কেউ এমনটা প্রমাণ করতে না পারলে তাকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে এবং তাকে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যদিও কখনোই মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের আগে এ চুক্তি বাস্তবায়নে কোন পদক্ষেপ কখনো নেওয়া হয় নি। তবে এবারই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার চুক্তি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছে। আগের যুক্তি মোতাবেক আসামে যাদের অবস্থান ১৯৭১ সালের ২৪শে মার্চের পূর্বে, এমন প্রমান যারা দাখিল করতে পারবে না। তাদের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া সহ দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হবে।

এরই প্রেক্ষিতে আসামে বসবাস করা ১৯ লাখ অভিবাসীদের নাগরিক তালিকা থেকে বাদ যাওয়ায় পুরো আসামে থমথমে ভাব বিরাজ করছে।