আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২০২৪ সালে সেই সম্ভাব্য উত্তরসূরি ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কার কথা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে কানাঘুষা চলছে। এমন সম্ভাবনার কথা বেশ কিছুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলে খোলাখুলি আলোচনা হচ্ছে। নিজে না হলেও ট্রাম্পের পর তার পরিবারের কোনো সদস্য হয়তো ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। আর সেটি হয়তো ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কাই!
বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক পর্যবেক্ষক মনে করছেন ট্রাম্প এবং তার ঘনিষ্ঠজনেরা হয়ত একটি কৌশল হিসেবেই রণে ভঙ্গ দেওয়ার পথ নিয়েছেন।
তার সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার অসামান্য সমর্থকবৃন্দ আমি জানি আপনারা হতাশ, কিন্তু আমি বলতে চাই আমাদের যাত্রা সবে শুরু হলো।’
বিবিসির উত্তর আমেরিকা বিষয়ক সম্পাদক জন সোপলের ভাষায়, ‘ট্রাম্প হয়ত ইঙ্গিত দিলেন রাজনীতি থেকে তিনি সরে যাচ্ছেন না। চার বছর পর নির্বাচনে তিনি আবার আসবেন।’
এদিকে, হেরে গেলেও নভেম্বরের নির্বাচনে প্রায় সাড়ে সাত কোটি ভোট পেয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার নির্বাচনে পরাজিত কোনো প্রার্থী এত ভোট কখনই পাননি। অনেক বিশ্লেষক বিশ্বাস করেন, করোনাভাইরাস দুর্যোগ সৃষ্টি না হলে, তিনি হেসে-খেলে জিতে যেতেন।
জনমত জরিপ সংস্থা ইউগভের এক জরীপ বলছে, ৪৫ শতাংশ রিপাবলিকান ভোটার মনে করেন ৬ জানুয়ারি কংগ্রেস ভবনে হামলার ঘটনা সঠিক ছিল। দলের মূল ভোটারদের মধ্যে তার অবিশ্বাস্য জনপ্রিয়তার কারণেই হয়ত রিপাবলিকান পার্টির নেতৃত্বের বিরাট অংশ এখনও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস করছেন না।
ক্যাপিটল হিলে এমন তাণ্ডবের পরও জো বাইডেনের নির্বাচনী ফলাফল অনুমোদনের সময় কংগ্রেসের ১২০ জনেরও বেশি রিপাবলিকান সদস্য আপত্তি জানিয়েছেন। ট্রাম্পের সুরে সুর মিলিয়ে তারা বলেছেন, নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। সুতরাং ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়ত এখনকার মত রণেভঙ্গ দিচ্ছেন। কিন্তু তিনি বা তার প্রতিষ্ঠান- বিরোধী, অপ্রচলিত, এবং লড়াকু রাজনীতি - আর রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যে তার বিপুল জনপ্রিয়তা যে অচিরেই উধাও হয়ে যাবে, এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ।




















