আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে দেশকে এনে দিয়েছিলেন বিশ্বকাপ। ক্রিকেটার হিসেবে যেমন তার সুনাম ছিলো, তেমন তার তারকা খ্যাতির পিছনে ছিলো প্লেবয় তকমার খেতাব। নিত্য নতুন নারীর সাথে তার নাম জড়িয়ে থাকতো সবসময়। তিনি ব্যাক্তিগত জীবনে বিয়েও করেছেন তিনটি। আর বান্ধবী ও শয্যা সঙ্গিনীর সংখ্যা ছিলো অগনিত। আমাদের কাগজ পাঠকদের জন্য ইমরানের জীবনে আসা নারীদের পরিচয় তুলে ধরা হলো।

ইমরানের জীবনে এসেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী জিনাত আমান। ভারতীয় চলচিত্রে আবেদনময়ী অভিনয়ের জন্য যেমন তার খ্যাতি ছিলো, ইমরানের বান্ধবী হিসেবেও বেশ কয়েকবার তিনি মিডিয়ার শিরোনামেও এসেছিলেন। আশির দশকে ভারত সফরে যাওয়ার পর জিনাতের সাথে স্বাক্ষাত হয় ইমরানের। বেশ আন্তরিক কিছু সময় কাটানোর পর তাদের ছাড়াছাড়ির বিষয়টি মিডিয়া জগতে রহস্য হিসেবেই থেকে যায়।
আরো পড়ুন: পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের অনিয়ন্ত্রিত যৌনাচারের ফসল তার অবৈধ সন্তানেরা
এছাড়া ইমরানের জীবনে স্বল্প সময়ের জন্য এসেছিলেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী স্টিফানি যিনি একাধারে কাজ করেছেন টেলিভিশন, রেডিও, ফ্লিম, থিয়েটারে। এছাড়াও ইমরানের জীবনে এসেছিলেন এম্মা সার্জিয়েন্ট নামক ব্রিটিশ ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট। ইমরানকে বিষয়বস্তু করে এমন কি তিনি ২০০০ সালে ভিজ্যুয়াল আলোকচিত্রের এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেন।
আরো পড়ুন: বড় পদের লোভ দেখিয়ে নারীদের ভোগ করেন ইমরান(ছবিসহ)
তার জীবনে ছিলেন ব্রিটিশ টেলিভিশন সেলিব্রেটি সুশান কনস্টানটাইন। আমেরিকানদের মধ্যে ছিলেন ডেনি ডি লুইস। যিনি পেশায় ছিলেন একজন মডেল ও ফ্যাশন ফটোগ্রাফার। তবে এসব ক্ষনস্থায়ী নারীদের মধ্যে ব্যাতিক্রম ছিলেন একমাত্র সীতা হোয়াইট। যিনি ইমরানের সন্তানের মাতৃত্ব দাবি করেন। যা ইমরানের প্রথম স্ত্রী জেমাইমা গোল্ডস্মিথও সমর্থন করেন। বিষয়টি আদালতে গেলে ইমরান শেষ পর্যন্ত তার মেয়েকে স্বীকৃতি দেয়। এছাড়াও ইমরানের দ্বিতীয় স্ত্রী রেহাম তার আত্মজীবনী লেখা গ্রন্থে দাবি করেছেন যে ইমরান নিজ মুখেই তার ৫ জন অবৈধ সন্তান থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

অনেক সমালোচক ইমরান শুধরে গেছেন বললে দাবি করলেও ইমরানের ২য় স্ত্রী রেহাম অভিযোগ করেছেন যে তিনি নারীদের যৌন সম্পর্কের বিনিময়ে বড় পদ দেন।




















