ডেস্ক রিপোর্ট ।।
রাতের খাবারের জন্য ১০০ জনের পাস্তা অর্ডার করেছিলেন পুলিশ কর্মকর্তারা। পার্সেল এলো ঠিকই তবে পার্সেল খুলতেই সবার চোখ ছানাবড়া। পাস্তার জায়গায় পার্সেলে এসেছে কাঁচা মাংস।
শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) চীনের সীমান্ত লাগোয়া হংকংয়ের শেয়ুং শুইয়ের এই ঘটনা ঘটে। থানায় ১০০টি পার্সেল এল বটে। কিন্তু পাস্তার জায়গায় সব ক’টা বাক্সই ভর্তি ছিল কাঁচা মাংসের। এ ঘটনা নিয়ে জল্পনা চলছে এরপর থেকেই।
কিন্তু কে বা কারা রহস্যজনক ওই পার্সেলগুলি পাঠিয়েছেন, তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত নয় হংকং পুলিশ। কোন খাবারের সংস্থা ওই পার্সেলগুলি পাঠিয়েছিল, তা নিয়েও ধোঁয়াশায় পুলিশ। সে দিন অন্য জায়গা থেকে ফের খাবার অর্ডার দিয়ে নৈশভোজ সারেন ওই ১০০ জন অফিসার।
তিন মাস ধরে চলা প্রতিবাদ-বিক্ষোভে হংকংয়ের সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক ক্রমশ অবনতির দিকে। বিশেষ করে চীন সীমান্ত ঘেঁষা এই এলাকার দোকানদার থেকে ছাত্রছাত্রী, প্রত্যেকেই পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ। শেষ কয়েক সপ্তাহ প্রতিবাদের মাত্রাও বেড়েছে এই এলাকায়। তাই এই কাজ যে বিক্ষোভকারীদের তা মেনে নিচ্ছেন পুলিশ অফিসারদের একাংশ।
তাদের মতে, গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীদের একাংশই তাদের খাওয়া পণ্ড করতে কাঁচা মাংস পাঠিয়েছিলেন সেই রাতে। কিন্তু এই যুক্তির সপক্ষে কোনও প্রমাণ এখনও তাদের হাতে নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এমনকি সাইবার হ্যাকিং এর বেশ কয়েকটি অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগকারীরা বলছেন, তারা তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত। পুলিশ অফিসাররা হাসপাতালে গিয়েও প্রাপ্য সেবা পেতে ব্যর্থ হচ্ছে, একইসাথে প্রতিহিংসারও শিকার হচ্ছেন।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে হংকং এর গণতন্ত্রপন্থি জনতা ও পুলিশের মধ্যে বেশ কয়েকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে চলেছে।




















