আন্তর্জাতিক ৭ অক্টোবর, ২০২২ ০৭:৫৭

চীনকে তাইওয়ানের কঠোর হুঁশিয়ারি 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বেইজিংকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ কুয়ো-চেং। আকাশসীমায় চীনা যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার রাজধানী তাইপেতে তাইওয়ানের আইনসভার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত দুই পার্লামেন্টারি কমিটির যৌথ বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখন থেকে চীনের কোনো যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশে অনুপ্রবেশ করলে আমরা একে ‘যুদ্ধের প্রথম আঘাত’ বলে বিবেচনা করব এবং বেইজিংকে সমুচিত জবাব দেবো।’

গত ২০২১ সাল থেকেই বিভিন্ন সময়ে তাইওয়ানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছে চীনা যুদ্ধবিমান। সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটেছে চলতি বছর আগস্টে, যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের সময়।

প্রত্যেকবারই অবশ্য চীনা যুদ্ধবিমানকে ধাওয়া করে নিজেদের আকাশসীমা ‘শত্রুমুক্ত’ রেখেছে তাইওয়ানের বিমানবাহিনী। সেই সঙ্গে চীনের প্রতি নিন্দাও জানিয়েছে স্বায়ত্বশাসিত এই দ্বীপভূখণ্ডের সরকার।

‘তবে এবারের পরিস্থিতি অন্যান্যবারের চেয়ে আলাদা। বিশ্বস্তসূত্রে আমরা জানতে পেরেছি, এখন থেকে নিয়মিত তাইওয়ানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করবে চীনের বিমানবাহিনী এবং এক্ষেত্রে মানবচালিত বিমানের পরিবর্তে তারা ব্যবহার করবে ড্রোন,’ শুক্রবারের বৈঠকে বলেন চিউ কুয়ো-চেং।

আগস্টে ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর তাইওয়ান প্রনালীতে টানা সামরিক মহড়া করে চীন। তাইওয়ানের সঙ্গে চীনের যে কৌশলগত চুক্তি চিল তা এই মহড়ার মধ্যে দিয়ে ধ্বংস হয়ে গেছে বলেও উল্লেক করেন চিউ কুয়ো-চ্যাং।

১৯৪০ সালের গৃহযুদ্ধে চীন থেকে বিচ্ছিন্ন হয় তাইওয়ান। তারপর থেকে তাইওয়ানের স্বাধীনতাপন্থী রাজনীতিকরা নিজেদের স্বাধীন ও সার্বভৌম বলে দাবি করলেও চীন এই দ্বীপ ভূখণ্ডকে এখনও নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। তাইওয়ান প্রসঙ্গে সবসময় ‘এক চীন’ নীতি মেনে চলে চীন। সূত্র: আরটি

আমাদের কাগজ//জেডআই