আন্তর্জাতিক ৭ নভেম্বর, ২০২২ ০৪:৩৯

যে কারণে আইফোনের উৎপাদন বন্ধ

ছবি:ইন্টারনেট

ছবি:ইন্টারনেট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গ্রাহকদের আইফোন ১৪ কিংবা আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স পেতে আরোও সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে  অ্যাপল। চীনে ফক্সকন যে জেলায় লকডাউনের কারণে আইফোন সংযোজন কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমেছে। ২ নভেম্বর থেকে সাত দিনের জন্য এই লকডাউন দেওয়া হয়।

এমন সময় অ্যাপলের এই খবর এসেছে, যখন চীন তার ‘শূন্য কোভিড’ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। সেপ্টেম্বরে আইফোনের নতুন মডেল বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছিল এই টেক জায়ান্ট।

এক বিবৃতিতে অ্যাপল বলেছে, ‘যেমনটা আমরা কোভিড-১৯ মহামারিজুড়ে করেছি, আমাদের সাপ্লাই চেইনে কর্মীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাকে আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমরা অব্যাহতভাবে আইফোন ১৪ ও আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স মডেলের ব্যাপক চাহিদা লক্ষ করছি। কিন্তু আমরা এখন আগের প্রত্যাশার চেয়ে আইফোন ১৪ ও আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্সের চালান কম পাব বলে মনে করছি। নিজেদের নতুন পণ্য বুঝে পেতে গ্রাহকদের তুলনামূলক বেশি সময় অপেক্ষার মুখে পড়তে হবে।’

এই ঘোষণা বিনিয়োগকারীদের সম্ভবত হতাশ করবে। তাঁরা আশা করছিলেন, অদূর ভবিষ্যতে চীন করোনা বিধিনিষেধ তুলে নেবে। লকডাউন তুলে নেওয়ার গুজবে গত শুক্রবার চীনের পুঁজিবাজারে উল্লম্ফন দেখা যায়।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানগুলোয় দেখা যায়, কোভিড বিধিনিষেধ, আবাসন ব্যবসায় মন্দা এবং বিশ্বব্যাপী মন্দার ঝুঁকিতে সৃষ্ট প্রলম্বিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি।

ফক্সকন চুক্তিভিত্তিক বৈদ্যুতিক পণ্য প্রস্তুতকারী বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারখানা। হোন হাই প্রিসিশন ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে পরিচিত কারখানাটি আইফোনের বৈশ্বিক চালানের ৭০ শতাংশ সরবরাহ করে থাকে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরতে বেইজিংয়ের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে ব্যাপক অর্থনৈতিক মাশুল গুনতে হচ্ছে। কিন্তু দেশটির নেতা সি চিন পিং ব্যক্তিগতভাবে এই নীতির অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই এ–সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিলে কোনো ইঙ্গিত দেননি তিনি।

 

আমাদের কাগজ//টিএ