আমাদের কাগজ ডেস্কঃ ভূমিকম্পে কবলিত তুরস্ক-সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এবার মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়াল। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ। করোনা মহামারীর পর তুরস্কে এটাই সবচেয়ে বড় বিপর্যয় । বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে চলছে উদ্ধার অভিযান। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে জীবিতদের। প্রতি মুহূর্তেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এ পর্যন্ত তুরস্কে ১১ হাজার ভবন ধ্বংস বা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন তুরস্কের এক কর্মকর্তা।
সর্বশেষ সরকারি হিসাবে বলা হয়, দক্ষিণ তুরস্কে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩ হাজার ৪১৯। ওই অঞ্চলে আহত উদ্ধার করা হয়েছে ২০ হাজার ৪২৬ জনকে। এর আগে তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত অকতায় জানান, এ পর্যন্ত ৭ হাজার ৮৪০ জনকে ভবনের ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় ৩ লাখ ৩৮ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে, ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা ক্যাথরিন স্মলউড বলেন, ভূমিকম্পের কারণে বহু মানুষ তাদের বাড়িঘর হারিয়েছে। তাদের থাকার কোন জায়গা নেই। তুষারপাতের কারণে তীব্র ঠান্ডায় তাদের জন্য বিপদ আরও বাড়বে। খবর এএফপির
ভয়াবহ ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে গেছে তুরস্কের অন্তত ১০টি শহর। প্রায় সাড়ে হাজারের মতো ভবন ধসে পড়েছে। এখনো ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুসারে, সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্কের গাজিয়ানটেপ শহরের কাছে ৭.৮ মাত্রার কম্পনটি সৃষ্টি হয়। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১১ মাইল গভীরে এ কম্পনের উৎপত্তি। পরে আরেকটি কম্পন অনুভূত হয়, সিসমিক স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৫। এই কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল কাহরামানমারাস প্রদেশের এলবিস্তান জেলায়। এর পরে আরও কয়েকটি ছোটবড় আফটারশক অনুভূত হয়।
আমাদের কাগজ/এমটি


















