আন্তর্জাতিক ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১২:০৩

বিপদের পর বিপদ

তুরস্কে বিধ্বস্ত এলাকায় লুটপাট, গ্রেপ্তার ৫০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে দুই দেশেই প্রাণহানি বাড়ছে। বাংলাদেশ সময় রবিবার সকাল পর্যন্ত দুই দেশে নিহতের সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। সময় যত গড়াচ্ছে, আটকা পড়া মানুষকে জীবিত পাওয়ার আশা ছেড়ে দিচ্ছে উদ্ধারকারী দল। তারপরও সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

এদিকে শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) অনুসন্ধান কার্যক্রম স্থগিত করেছেন জার্মান উদ্ধারকারীরা এবং অস্ট্রিয়ান সেনাবাহিনী। দুই অজ্ঞাত গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের কথা উল্লেখ করে তারা উদ্ধার অভিযান স্থগিত করে। যদিও সংঘর্ষের কারণ জানাননি উদ্ধারকারীরা।

তুরস্কের ১০টি অঞ্চল ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়েছে। এই অবস্থার মধ্যে ধ্বংসস্তূপ এলাকায় লুটপাটও চলছে। এখন পর্যন্ত বিধ্বস্ত এলাকায় লুটপাটের অভিযোগে প্রায় ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো। ভিন্ন ভিন্ন আটটি প্রদেশ থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দেশটিকে ত্রাণ ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ খাতে ১,৭৮০ কোটি টাকা (১.৭৮ বিলিয়ন ডলার) সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড মালপাস এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আমরা তাৎক্ষণিক সহায়তা দিচ্ছি। দেশটির পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনে অগ্রাধিকার জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে চাহিদামাফিক সহায়তা কার্যক্রম চালানো হবে। কন্টিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স কম্পোনেন্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ৭৮০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেওয়া হবে।”

এদিকে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের সিরিয়া প্রতিনিধি শিভাঙ্ক ধানপালা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ভূমিকম্পে সিরিয়ায় অন্তত ৫৩ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব মানুষের এখন আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সিরিয়ায় আগে থেকেই বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে আছেন। এই ভূমিকম্প বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।

 

 

 

 

আমাদের কাগজ/টিআর