আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইতালি উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী নৌকাডুবির ঘটনায় ১২ শিশুসহ অন্তত ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। খবর বিবিসির।
গত রোববার ইতালির ক্যালাব্রিয়া অঞ্চলের সমুদ্র উপকূলীয় শহর ক্রোতনে ভেড়ার সময় বৈরী আবহাওয়ার কারণে পাথরে ধাক্কা লেগে নৌকাটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়।
এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তারা বলছেন, নৌকাটিতে অন্তত দেড় শ মানুষ ছিলেন। তবে প্রকৃতপক্ষে মোট কত জন লোক ওই নৌকাটিতে ছিলেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে অভিবাসী পাচারের দায়ে বেঁচে থাকাদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইতালির কাস্টমস পুলিশ। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেছেন, ৩০ জনের মতো লোক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
সংবাদ সংস্থা আনসা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে মাত্র কয়েক মাস বয়সী এক শিশুও রয়েছে। মরদেহগুলো সমুদ্র সৈকত এবং উপকূলীয় একটি রিসোর্টের কাছে ভেসে আসে।
ইতালির কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ৮০ জনকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ নৌকাডুবির পর নিজেই কোনোভাবে উপকূলে এসে পৌঁছাতে সক্ষম হন।
উদ্ধারকারীরা এএফপিকে বলেছেন, নৌকাটি দুই শ’র বেশি মানুষ বহন করছিল।
বেশ কিছু দিন আগে তুরস্ক থেকে ছেড়ে আসা ওই নৌকাটিতে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, সোমালিয়া ও ইরানের যাত্রী ছিলেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সমুদ্রপথে ইউরোপে ঢোকার চেষ্টাকারী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য ইতালি অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ। কেন্দ্রীয় ভূমধ্যসাগরীয় রুটটি বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পথ হিসেবে পরিচিত।
আমাদের কাগজ/টিআর




















