আমাদের কাগজ ডেস্কঃ স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজের একমাত্র ছেলে ও চার কন্যা সন্তানের গলা কেটে খুন করেন বেলজিয়াম নারী জেনেভিভ লেরমিট। জানা যায়, বিভীষিকাময় ঘটনার ঠিক ১৬ বছর পর নিজের পাঁচ সন্তানকে গলাকেটে হত্যার কথা শিকার ও স্বেচ্ছামৃত্যুর চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তবে নিজের জীবন শেষ করতে পারেননি বেলজিয়ামের এই নারী।
জরুরি পরিষেবা নম্বরে ফোন করে সে যাত্রায় বেঁচে যায় তার প্রাণ। তবে নিজের পাঁচ সন্তানকে খুনের দায়ে জেলে যেতে হয় লেরমিটকে। যাবজ্জীবন সাজা হয় তার।
২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির সেই বিস্ময়কর ঘটনার ঠিক ১৬ বছর পর বেলজিয়ামের আইন মেনে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করলেন জেনেভিভ। শুক্রবার (৩ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।
বেলজিয়ামের আইন অনুযায়ী, দেশটির কোনো নাগরিক যদি শারীরিক বা মানসিকভাবে নিজের ব্যথা-কষ্ট সহ্য করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হতে পারে।
সেই আইনেই ৫৬ বছরের জেনেভিভ লেরমিটকে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেয় বেলজিয়াম সরকার।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজের একমাত্র ছেলে ও চার কন্যা সন্তানের গলা কেটে খুন করেন জেনেভিভ। রান্নাঘরের ছুরি দিয়েই এই কাণ্ড ঘটান তিনি। এরপর সেই ছুরি দিয়েই নিজেকেও শেষ করার চেষ্টা করেন ওই নারী। তবে সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।
এর আগে ২০০৮ সালে আদালতে এই মামলার শুনানির সময় জেনেভিভের আইনজীবী আবেদন করেন, যাতে তার মক্কেলকে কারাদণ্ডের আদেশ না দেওয়া হয়। জেনেভিভের আইনজীবীর যুক্তি ছিল, তার মক্কেল মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি নিয়মিত মনোবিদের কাছে যাচ্ছেন।
তবে মামলার শুনানি শেষে জুরি বোর্ড জেনেভিভকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
আমাদের কাগজ/এমটি





















