বিনোদন ডেস্ক
দর্শকদের কাছে অভিনেতা হিসেবে পরিচিত ফজলুর রহমান বাবু। এর বাহিরেও তার একটি পরিচয় আছে তা হল গায়ক। এ অভিনেতা মাঝেমধ্যে গান গেয়েও বেশ আলোচনায় আসেন। এর আগে তাঁর কণ্ঠে ‘ঘেটুপুত্র কমলা’, ‘মনপুরা’ ইত্যাদি ছবির গান আলোচিত হয়েছে। এ কারণে মাঝেমধ্যেই গান গাওয়ার ডাক পড়ে তাঁর।
ছবিতে একটু ভিন্ন ধরনের গানগুলোতে কণ্ঠ দিতে দেখা যায় তাঁকে। এ নিয়ে ফজলুর রহমান বাবু। তিনি বলেন, চলচ্চিত্রের গান আমি বেশি উপভোগ করি। কারণ, চলচ্চিত্রের গানে চ্যালেঞ্জ থাকে। গান নিয়ে আমার কোনো সিদ্ধান্ত নেই, পরিকল্পনাও নেই। পেশাদার সংগীতশিল্পী না হয়েও মানুষ আমাকে চলচ্চিত্রের গানে ডাকেন। সেই গান দর্শক শ্রোতা পছন্দ করেন। এটি আমার জন্য বাড়তি পাওয়া মনে করি।
সম্প্রতি ‘ছায়াবৃক্ষ’ নামে অনুদানের ছবির ‘সর্বনাশ’ গানে কণ্ঠ দিলেন এই অভিনেতা। ছবির পরিচালক বন্ধন বিশ্বাসের লেখা গানটির সুর ও সংগীত করেছেন ইমন সাহা।
ফজলুর রহমান বাবু জানান, চা বাগানের শ্রমিকদের নিয়ে ছবির গল্প। তিনি বলেন, ইমন সাহা আমার গায়কি ভালো বোঝেন। আমিও তাঁকে পছন্দ করি। এর আগে তাঁর সঙ্গে অ্যালবামের ও চলচ্চিত্রের গান করেছি আমি। “মেয়েটি এখন কোথায় যাবে” ছবিতে আমি একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছিলাম। গানটির সুর-সংগীতের জন্য ইমন সাহা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।
এদিকে, শ্যাম বেনেগালের ‘বঙ্গবন্ধু’ বায়োপিকে খন্দকার মোশতাকের চরিত্রে অভিনয় করছেন ফজলুর রহমান বাবু। প্রথম ধাপের একাংশের কাজ শেষ করে গত সোমবার মুম্বাই থেকে দেশে ফিরেছেন এই অভিনেতা। তিনি জানান, ৫ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি শুটিং করেছেন তিনি।
শ্যাম বেনেগালের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন? জানতে চাইলে বাবু বলেন, সে এক এলাহিকাণ্ড! এত বড় আয়োজনে শুটিংয়ে আমাদের শিল্পীদের অভিজ্ঞতা নেই।
কাজের বর্ণনা করতে গিয়ে এই অভিনেতা জানান, সারা দিনে একটিমাত্র দৃশ্য ধারণ করা হয়। এত বড় আয়োজনে নানা অ্যাঙ্গেল থেকে শট নেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘এত অ্যাঙ্গেল থেকে শট নেওয়া হয়, শুটিংয়ে একজন অভিনেতা ভালো করছেন, না খারাপ করছেন, ওই শিল্পীর পক্ষে বোঝা মুশকিল! তবে দিন শেষে পরিচালকের হাসিমুখ দেখে বোঝা যায়, আমাদের শিল্পীরা খারাপ করছেন না। কারণ, আমরা সবাই সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে কাজটি করছি।






















